বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০০৪ সালে র‌্যাব গঠনের সময় কোন বাহিনী থেকে কতজন র‌্যাবে যোগ দেবেন, সে সম্পর্কে একটি অফিস আদেশ জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ থেকে আসবেন ৪৪ শতাংশ সদস্য। বাংলাদেশ পুলিশ থেকেও আসবেন ৪৪ শতাংশ, বাকি ১২ শতাংশের আসার কথা বাংলাদেশ রাইফেলস, আনসার, ভিডিপি, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও সিভিল প্রশাসন থেকে। পুলিশে যে ব্যাচের পদোন্নতি হলো, সেই একই ব্যাচে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বড় অংশের আগেই উপসচিব হিসেবে পদোন্নতি হয়েছে। র‌্যাবে পদগুলো খালি থাকায় এতসংখ্যক পুলিশ সুপারকে পদোন্নতি দেওয়া হয়।

র‌্যাব সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন উপপরিচালক পদে এসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তা না পাওয়ায় সেই পদগুলোয় এখন আছেন সেনাবাহিনীর মেজর পদমর্যাদার কর্মকর্তারা। ৯টি উপপরিচালকের পদ খালি থাকায় সেখানে ৯ জন পুলিশ সুপারকে রাখা হয়েছে।
একজন পুলিশ সুপার বলেন, তিনি আগে দক্ষতার সঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) দায়িত্ব পালন করেছেন। অথচ পদোন্নতি হলেও পাঁচ মাস ধরে তাঁদের কোনো পদায়ন হয়নি। ওই সময় থেকে তাঁদের বেতনও বন্ধ রয়েছে।

আরেকজন পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত থাকলেও সেখানে তাঁদের বসার কোনো চেয়ার নেই। নেই কোনো কাজও। এখন তাঁদের অলস সময় কাটছে।
একাধিক পুলিশ সুপার বলেন, ৩৮ পুলিশ সুপারের ওপর তাঁদের পরিবার নির্ভরশীল। তাঁদের মধ্যে কারও ওপর আবার মা-বাবা, ভাই-বোনও নির্ভরশীল। পাঁচ মাস বেতন বন্ধ থাকায় তাঁরা এখন ঋণ করে সংসার চালাচ্ছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) মো. কামরুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ৩৮ পুলিশ সুপারের পদায়ন ও বেতন–জটিলতা নিরসনে মন্ত্রণালয়ে কাজ চলছে। তাঁদের পুলিশ সদর দপ্তরে পদায়নের প্রক্রিয়া চলছে। আগামী এক–দুই মাসের মধ্যে ৩৮ পুলিশ সুপারের পদায়ন হয়ে যাবে। তখন তাঁদের বেতন নিয়ে জটিলতাও থাকবে না।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন