বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই তিন শিক্ষক হলেন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের প্রধান ফারহানা ইয়াসমিন ও দুই শিক্ষক রাজীব অধিকারী ও জান্নাতুল ফেরদৌস। তিনজনই বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর।

গত রোববার পরীক্ষার হলে ঢোকার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ফারহানা ইয়াসমিন জোর করে কাঁচি দিয়ে ১৪ ছাত্রের চুল কেটে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ। এ ঘটনায় মর্মাহত হয়ে নাজমুল হাসান তুহিন (২৫) নামের এক শিক্ষার্থী গত সোমবার রাতে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে গণমাধ্যমে খবর আসে। গণমাধ্যমে আসা প্রতিবেদন যুক্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে এবং ১৪ ছাত্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশনা চেয়ে মানবাধিকার সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন গতকাল বুধবার রিটটি করে।

রুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্টাফদের সামনে পরীক্ষা হলে ঢোকার আগে ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে শাস্তি দেওয়া কেন আইনগত কর্তৃত্ববর্হিভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

পরে আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির প্রথম আলোকে বলেন, ‘চুল কেটে দেওয়া ১৪ শিক্ষার্থীকে ২০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এ ধরনের নিপীড়নমূলক, অবমাননাকর, মৌলিক–মানবাধিকার পরিপন্থী ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা–কর্মচারীদের জন্য আচরন বা শৃঙ্খলাবিধি কেন তৈরি করা হবে না, রুলে তা–ও জানতে চাওয়া হয়েছে। শিক্ষাসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রারসহ ৯ বিবাদীকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন