default-image

উড়োজাহাজের ভেতর থেকে ৬২ কেজি সোনা উদ্ধারের মামলায় ৩ আসামিকে ১৪ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার ১৪ নম্বর মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফাতিমা ইমরোজ এই রায় দেন।

দণ্ডিত তিন আসামি হলেন বাংলাদেশ বিমানের এয়ারক্রাফট মেকানিক আনোয়ারুল হাসান, এয়ারক্রাফট মেকানিক আবু সালেহ ও লাইন মেইন্টেন্যান্স আখতারুজ্জামান। রায় ঘোষণার পর তিন আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এয়ারক্রাফটের যে স্থান থেকে ৬২ কেজি সোনা উদ্ধার করা হয়, সেখানে কোনো সাধারণ ব্যক্তির পক্ষে সোনা লুকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। এয়ারক্রাফটের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা–কর্মচারীদের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে প্রশিক্ষণ না দেওয়া হলে এই কাজে দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব নয়।

মামলার কাগজপত্রের তথ্য বলছে, ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজের ভেতরের বিভিন্ন স্থান থেকে ৬২ কেজি সোনা জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর বিশেষ ক্ষমতা আইনে ছয়জনের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলা করে। মামলাটি তদন্ত করে ২০১৭ সালের ২০ ডিসেম্বর তিন আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে, দুবাই থেকে চট্টগ্রাম হয়ে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি এয়ারক্রাফট আসবে। ওই বিমানের ভেতরে সোনার বার লুকিয়ে রাখা হয়েছে। ওই ফ্লাইট আসার পর শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এয়ারক্রাফটের শৌচাগারের কেবিনেট থেকে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ৬২ কেজি সোনা পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রটি আমলে নিয়ে ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এ মামলায় ১৪ সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, এয়ারক্রাফটের যে স্থান থেকে ৬২ কেজি সোনা উদ্ধার করা হয়, সেখানে কোনো সাধারণ ব্যক্তির পক্ষে সোনা লুকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। এয়ারক্রাফটের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা–কর্মচারীদের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে প্রশিক্ষণ না দেওয়া হলে এই কাজে দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব নয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন