পদ্মা সেতুকে ভূমিকম্প সহনীয় করতে সর্বোচ্চ ক্ষমতার বিশেষ ধরনের বিয়ারিং ব্যবহার করা হয়েছে, যার নাম ‘ডাবল কারভেচার ফ্রিকশন পেন্ডুলাম বিয়ারিং’। সবচেয়ে বড় বিয়ারিংটির ওজন ১৫ টন। মোট বিয়ারিং লেগেছে ৯৬ সেট। এগুলো পিলার এবং স্প্যানের মাঝখানে বসানো হয়েছে। এসব বিয়ারিং প্রায় এক লাখ টন ক্ষমতার কম্পন প্রতিরোধে সক্ষম।

কীভাবে ভূমিকম্প ঠেকাবে এর একটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রকৌশলীরা। তাঁরা বলছেন, ভূমিকম্প মাটিতে কম্পন সৃষ্টি করে। এই কম্পন প্রথমে পিলারে যাবে। বিয়ারিংগুলো এর কম্পন ক্ষমতা কমিয়ে দেবে। এ ছাড়া স্প্যানে ভূমিকম্পের সামান্য আঘাত গেলেও তা থেকে সেতুকে রক্ষা করার জন্য প্রতিটি জোড়ায় সংকোচন-সম্প্রসারণের বিয়ারিং বসানো হয়েছে।

বড় ভূমিকম্প থেকেও যে সেতুটি রক্ষা পাবে, সেই সেতুর উপরের অংশের ওজন আসলে কত? পদ্মা সেতুর ওপরের কাঠামোর প্রতিটি স্প্যানের ওজন ৩ হাজার ২০০ টন। পুরো সেতুতে এমন স্প্যান আছে ৪১টি। ফলে সব মিলিয়ে স্প্যানের ওজন দাঁড়াচ্ছে ১ লাখ ৩১ হাজার ২০০ টন। এর ওপর রেলের গার্ডার, দুই স্তরের কংক্রিটের স্ল্যাব বসানো হয়েছে। ফলে তা কয়েক লাখ টন ওজনের একটি স্থাপনা।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন