রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাজদার ও চীনের ডংট্যান শহর ইতিমধ্যে শূন্য কার্বন নিঃসরণকারী ও শতভাগ জীবাশ্ম জ্বালানিমুক্ত শহর হিসেবে গণ্য হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো ২০৫০ সালের মধ্যে শতভাগ জীবাশ্ম জ্বালানিমুক্ত শহর গড়ায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে। বাংলাদেশও চাইলে কক্সবাজারের মতো পর্যটন শহরকে জীবাশ্ম জ্বালানিমুক্ত শহর হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।
ধানমন্ডিতে গতকাল শুক্রবার গ্লোবাল ডাইভেস্টমেন্ট ডে-২০১৫ উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। গ্রিন সিটি হেলদি সিটি, বাংলাদেশ আয়োজিত এ সভায় জলবায়ু ও কৃষি বিশেষজ্ঞেরা বক্তব্য দেন।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গ্রিন সিটি হেলদি সিটির প্রধান সমন্বয়ক এখলাসুল হক। মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ বায়োগ্যাস ফাউন্ডেশনের ড. এম এন খান, গ্রামীণশক্তির ড. আবদুল গোফরান, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহপরিচালক জিয়াউল হক। বক্তারা কক্সবাজারকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি-নির্ভর শহর হিসেবে ঘোষণা দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তি।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন