default-image

রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে গতকাল রোববার দুপুরে রাজশাহী-খুলনা রুটে ‘কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস’ ট্রেন সার্ভিসের উদ্বোধন করেছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। আগে ট্রেনটি নয়টি বগি নিয়ে চলাচল করত। এখন ভারত থেকে আমদানি করা ১২টি বগি এতে সংযুক্ত করা হয়েছে। এতে যাত্রীর আসন ছিল ৬১৯টি। নতুন ট্রেনে আসন থাকবে ৮৬৬টি।
অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন, ‘আমাদের দেশের কষ্টার্জিত অর্থে আমার নেত্রী রেলকে গড়েন, রেলকে সাজান। আর বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া আগুন দিয়ে রেলের সম্পদ ধ্বংস করেন। বিএনপির আমলে রেলপথ ছিল অবহেলিত। আগে রেলের জন্য বরাদ্দ করা হতো ৫০০ কোটি টাকা। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর থেকে রেলের বরাদ্দ বাড়তে বাড়তে এই বাজেটে সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। বর্তমান সরকারের আর এক বছর নয় মাস মেয়াদ রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে রেলওয়ের চলমান সব প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। তা সম্ভব হলে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে রেলওয়ের যুগান্তকারী উন্নয়ন আমরা করতে পারব।’
যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতুর সমান্তরাল ‘বঙ্গবন্ধু রেল সেতু’ নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে মুজিবুল হক বলেন, সেতু নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে পরামর্শক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। খুব শিগগির সেতুর জন্য দরপত্র আহ্বান করা হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ব্যবস্থাপক খায়রুল আলম। বক্তব্য দেন নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, রেলওয়ের মহাপরিচালক আমজাদ হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের সাংসদ আবদুল ওদুদ, রাজশাহী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ।
বক্তারা আবদুল্লাহপুর থেকে রাজশাহী পর্যন্ত ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ, রাজশাহী-কলকাতা সরাসরি ট্রেন চালু, রাজশাহী-ঢাকা ননস্টপ ট্রেন সার্ভিস চালুসহ রাজশাহীর রেল যোগাযোগের জন্য কিছু দাবি তুলে ধরেন। জবাবে মন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন, ‘দাবি যা এসেছে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করব।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন