default-image

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, উজানের দেশে আগামী কয়েক দিনে ভারী বৃষ্টি না হলে দেশের নদ-নদীর পানি কমে যাবে। এতে খুব শিগগির বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। নদ-নদীর পানি নেমে গেলেই স্বস্তি ফিরে আসবে।

শুক্রবার দুপুরে বরিশালের কীর্তনখোলা ও আড়িয়ালখাঁ নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি ভাঙন প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত পরিকল্পনার কথা মানুষের মধ্যে তুলে ধরেন এবং এলাকার লোকজনের দুর্দশার কথা শোনেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে বৃহস্পতিবার প্রথম বরিশালে ফেরেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী। শুক্রবার সকালে তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে দুপুরে তিনি বরিশাল সদর উপজেলার ভাঙনকবলিত কীর্তনখোলা ও আড়িয়ালখাঁ নদীর বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরিশাল অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. হারুন-অর রশিদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে জাহিদ ফারুক বলেন, দেশের ৬৪ জেলায় ৪৩২টি খাল খননের কার্যক্রম চলছে। নানা কারণে এটি বিলম্বিত হয়েছে। খাল খনন শেষ হলে সারা দেশে ৫০০ নদী খননের কাজ শুরু হবে। এই কার্যক্রম শেষ হলে বন্যার সময় নদ-নদীতে পানির ধারণক্ষমতা আগের চেয়ে বাড়বে। তখন নদ-নদীতে পানি বাড়লে প্লাবনের তীব্রতা বর্তমানের চেয়ে কমবে। তিনি বলেন, বরিশালের বিভিন্ন এলাকার নদী ভাঙনরোধে সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নদীতীরবর্তী এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্দশা লাঘবে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। এই চেষ্টার অংশ হিসেবে অনেক এলাকার নদীভাঙন রোধ করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছেন।

২ জুলাই পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এরপর তিনি ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। ১৭ জুলাই তাঁর নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন ‘নেগেটিভ’ এলে পরদিন বাসায় ফেরেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন