পাবনায় ছয়তলা ভবনে আগুন লেগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

বহুতল বাণিজ্যিক ভবনে আগুন লাগে। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভবনটিতে থাকা চারটি ব্যাংক, কয়েকটি শো রুম, আবাসিক বাসা, একটি রেস্তোরাঁসহ বেশ কিছু দোকানপাট। সাত্তার বিশ্বাস ভবন, আব্দুল হামিদ সড়ক, পাবনা, ২০ আগস্ট। ছবি: হাসান মাহমুদ
বহুতল বাণিজ্যিক ভবনে আগুন লাগে। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভবনটিতে থাকা চারটি ব্যাংক, কয়েকটি শো রুম, আবাসিক বাসা, একটি রেস্তোরাঁসহ বেশ কিছু দোকানপাট। সাত্তার বিশ্বাস ভবন, আব্দুল হামিদ সড়ক, পাবনা, ২০ আগস্ট। ছবি: হাসান মাহমুদ

পাবনায় জেলা শহরের আব্দুল হামিদ সড়কের সাত্তার বিশ্বাস ভবনে আজ সোমবার ভোরে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে বহুতল বাণিজ্যিক ভবনটিতে থাকা চারটি ব্যাংক, কয়েকটি শো রুম, আবাসিক বাসা, একটি রেস্তোরাঁসহ বেশ কিছু দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট প্রায় চার ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের কয়েকজন বলেন, ভোর পাঁচটার দিকে ভবনের নিচতলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে রেস্তোরাঁয় থাকা গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। নিচতলা থেকে আগুন তিনতলা পর্যন্ত ছড়ায়। ছয়তলা ভবনটির আবাসিক বাসিন্দারা ছুটোছুটি শুরু করেন। খবর পেয়ে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের পাবনা জেলা ইউনিট ও পরে বিভিন্ন উপজেলার আরও ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে আসে। তারা জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় আবাসিক বাসিন্দাদের নিরাপদে উদ্ধার করে। প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে তারা। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

আগুন নেভানোর কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস। ছবি: হাসান মাহমুদ
আগুন নেভানোর কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস। ছবি: হাসান মাহমুদ

পাবনা জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন জানান, ভবনটিতে কয়েকজন বাসিন্দা আটকা পড়েছিলেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের প্রচেষ্টায় তাঁদের নিরাপদে বের করে আনা গেছে। ভবনটির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে সময় বেশি লেগেছে।

পাবনার পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়েই আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। পুলিশ, র‍্যাব, ফায়ার সার্ভিস ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ভবনটিতে কয়েকটি ব্যাংক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থাকায় আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছি। ফায়ার সার্ভিস ও প্রশাসন ঘটনার তদন্তে নেমেছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কারও গাফিলতির প্রমাণ পেলে আইনানুগ নেওয়া করা হবে।’