পোশাকশ্রমিককে গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে এক নারী (৩০) গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন অভিযোগ করে থানায় মামলা করেছেন। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ওই নারীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই নারী ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তাঁর বাড়ি পঞ্চগড়ে।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহম্মেদ কবীর হোসেন আজ প্রথম আলোকে বলেন, ঈশ্বরগঞ্জের মো. শাহীন মিয়া ও সোহেল মিয়া ঠেলাগাড়িতে করে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় সবজি বিক্রি করেন। সেই সুবাদে ওই এলাকায় বসবাসকারী পোশাকশ্রমিকের সঙ্গে ওই নারীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই ধারাবাহিকতায় শাহীন ও সোহেলের আমন্ত্রণে ওই নারী ৩ নভেম্বর ঈশ্বরগঞ্জে যান। শাহীন ওই নারীকে নিজের স্ত্রী পরিচয় দিয়ে পরিচিত এক ব্যক্তির বাসায় নিয়ে যান। রাতের খাবার খেয়ে ওই নারী ওই বাসায় ঘুমিয়ে পড়েন। মধ্যরাতের পর বাড়ির মালিকের পরিচিত মো. মোস্তফা, আবদুর রাজ্জাক ও নুরুজ্জামান ওই নারীকে বাসা থেকে বের করে অন্যত্র নিয়ে যান। ওই নারীর অভিযোগ, এ সময় তিনি গণধর্ষণের শিকার হন। খবর পেয়ে টহলরত পুলিশ শাহীন, রাজ্জাক ও সোহেল নামের তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ওই নারী শাহীন ও সোহেলের আমন্ত্রণে ঈশ্বরগঞ্জ গেছেন জানালেও তাঁদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের কোনো অভিযাগ করেননি।

ওসি আহম্মেদ কবীর হোসেন বলেন, ওই নারী গতকাল সোমবার রাতে থানায় অভিযোগ করেন। পুলিশ সেটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হিসেবে রেকর্ড করে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।