default-image

ব্লগার ও বিজ্ঞানবিষয়ক লেখক অভিজিৎ রায়কে কুপিয়ে হত্যার মামলায় আজ বুধবার আরও দুজন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

বুধবার সাক্ষ্য দেন নিহত অভিজিতের স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যার মামা অধ্যাপক সৈয়দ আবুল কালাম এবং নূর মোহাম্মদ তালুকদার নামের এক ব্যক্তি। এর মধ্য দিয়ে মামলার ২৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। মামলার মোট সাক্ষী ৩৪ জন।

২৫ নভেম্বর এ মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেছেন ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান।

রাফিদা আহমেদের মামা সৈয়দ আবুল কালাম আদালতে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢাকায় আসার পর রাফিদা আহমেদ তাঁর বাসায় উঠতেন। সেদিন (২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি) বইমেলায় অভিজিৎদের ওপর হামলার খবর শুনে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। সেখানে অভিজিতের লাশ দেখতে পান।

বিজ্ঞাপন

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির কাছে চাপাতির আঘাতে অভিজিৎ রায় নিহত হন। এ সময় তাঁর স্ত্রী রাফিদা আহমেদ আহত হন। অভিজিৎ ও রাফিদা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। অমর একুশে গ্রন্থমেলা উপলক্ষে তাঁরা দেশে এসেছিলেন। মেলা থেকে বেরিয়ে বাসায় ফেরার পথে তাঁরা ওই হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় অভিজিৎ রায়ের বাবা অজয় রায় শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন।

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট এ মামলা তদন্ত করে। গত বছরের ১৩ মার্চ সৈয়দ জিয়াউল হকসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। অভিজিৎ হত্যা মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন আরাফাত রহমান ওরফে শামস ওরফে সাজ্জাদ, মোজাম্মেল হোসেন ওরফে সায়মন ওরফে শাহরিয়ার, আবু সিদ্দিক ওরফে সোহেল ওরফে সাকিব, আকরাম হোসেন আবির ওরফে আদনান ও শফিউর রহমান ফারাবী। আসামিদের মধ্যে জিয়াউল ও আকরাম পলাতক। অন্যরা গ্রেপ্তার আছেন। তাঁদের বুধবার আদালতে হাজির করা হয়।

গত বছরের ১ আগস্ট ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

মন্তব্য পড়ুন 0