তিন বছরের কারাদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন ব্যাংকের সাবেক এমডি হুমায়ুন কবির, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মাইনুল হক, মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মীর মহিদুর রহমান ও ননী গোপাল নাথ, উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) শেখ আলতাফ হোসেন ও সফিজ উদ্দিন আহমেদ, সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) সাইফুল হাসান ও কামরুল হোসেন খান। অপর দিকে ৮ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন ডিএন স্পোর্টসের চেয়ারম্যান মোতাহার উদ্দিন চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সফিকুর রহমান ও পরিচালক ফাহমিদা আক্তার।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে হুমায়ুন কবির, সফিকুর রহমান, সাইফুল হাসান ও ননী গোপাল পলাতক রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বাকি সাতজনকে রোববার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, সোনালী ব্যাংকের ১ কোটি ৪২ লাখ টাকা আত্মসাতের দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করে। মামলাটি তদন্ত করে ২০১৪ সালের ২২ মে ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সোনালী ব্যাংকের ১ কোটি ৪২ লাখ ৯৪ হাজার ৪৭ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

দুদকের পক্ষে এ মামলা পরিচালনা করেন সরকারি কৌঁসুলি আবদুর রাজ্জাক। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবু ফয়েজ মো. হাসান ও মাহাবিন হাসান।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন