বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ডিআরডিইউর সাধারণ সম্পাদক বেলাল আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাড্ডা লিংক রোডে শওকত আজ যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন, তা নতুন নয়। প্রতিদিনই এমন ঘটনা ঘটছে। ঢাকায় পার্কিংয়ের কোনো জায়গা নেই। মোটরসাইকেলকে কোথাও না কোথাও, দিনের কোনো না কোনো সময় পার্কিং করতে হয়। করলেই মামলা।’ তিনি আরও বলেন, একেকটি মামলায় তাঁদের দুই হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হয়। চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান তাদের আয়ের ২৫ শতাংশ নিয়ে নেয়। তারপর যদি মামলায় এত টাকা চলে যায়, তাহলে তাঁরা কোথায় যাবেন। ঢাকা শহরের বিভিন্ন অল্প জায়গার মধ্যেই পার্কিংয়ের সুবিধা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

তবে মঙ্গলবারের এ কর্মসূচি আগেই নেওয়া হয়েছিল। ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও সিলেটেও এ কর্মসূচি পালিত হবে। বিশ্বের আরও কয়েকটি শহরেও এ কর্মসূচি পালন করার কথা রয়েছে। এর আগে আরও পাঁচবার তাঁরা ছয়টি দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমেছিলেন। কিন্তু সেসব দাবিতে কর্তৃপক্ষ কর্ণপাত করেনি বলে তাঁদের অভিযোগ।

ডিআরডিইউর দাবিগুলো হলো অ্যাপসনির্ভর শ্রমিকদের শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি; কর্ম ও সময়ের মূল্য দেওয়া; সব ধরনের রাইডে কমিশন ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা ও মিথ্যা অজুহাতে কর্মহীন করা থেকে বিরত থাকা; ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে রাইড শেয়ারিংয়ের যানবাহন দাঁড়ানোর জায়গা করে দেওয়া; সব ধরনের পুলিশি হয়রানি বন্ধ করা এবং তালিকাভুক্ত রাইড শেয়ারকারী যানবাহনকে গণপরিবহনের আওতায় নিয়ে আগাম কর (এআইটি) কেটে রাখা বন্ধ করা এবং এ পর্যন্ত যে কর আদায় করা হয়েছে, তা ফিরিয়ে দেওয়া।

এ আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে সম্মিলিত রাইডারস অব চট্টগ্রাম (সিআরসি) ও কোথায় যাবেন রাইড শেয়ারিং গ্রুপ (কেআরজিএস)।
পুলিশি হয়রানিসহ রাইড শেয়ারিং চালকদের দাবি নিয়ে কথা বলতে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনারকে (ট্রাফিক) কয়েকবার কল করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন