বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইউসুফ বলেন, ‘ওই রাতের বিকট শব্দের কারণেই আমার ছেলের এই পরিণতি হলো কি না, সেটা বলতে পারব না। তবে চিকিৎসকেরা বলেছেন, আমার ছেলে হার্ট অ্যাটাক করে মারা গেছে।’

সোমবার বিকেল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরছে ছোট্ট উমায়ের ও তার বাবার ছবি। নববর্ষ উদ্‌যাপনের নামে আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর সমালোচনা করছেন অনেকে। কেউ কেউ আতশবাজি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন।

মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিংয়ে ইউসুফের একটি মোবাইল যন্ত্রাংশের দোকান রয়েছে। ছয় বছর আগে বিয়ে করেন তিনি। তাঁর পাঁচ বছর বয়সী আরেকটি ছেলেসন্তান রয়েছে। ইউসুফ রায়হান ৩১ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে তাঁর ফেসবুকে লেখেন, ‘কী বিকট শব্দ! আমার ছোট বাচ্চাটি এমনিতে হার্টের রোগী। আতশবাজির প্রচণ্ড শব্দে বাচ্চাটি আমার ক্ষণে ক্ষণে কেঁপে ওঠে। খুব ভয় পাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। খুব আতঙ্কে রাত পার করছি।’

গত মাসের প্রথম দিকে নিউমোনিয়া হয়েছিল উমায়েরের। গত ১০ ডিসেম্বর তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে নেওয়া হয় তাকে। চার দিন পর সুস্থ হয়ে বাসায় ফেরে। এর সপ্তাহখানেক পর আবার তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। গত বৃহস্পতিবার তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। তবে ওই দিন চিকিৎসক ব্যস্ত থাকায় তাকে সেদিন আর নেওয়া হয়নি।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন