বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সভায় মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইলিয়াছুর রহমান, ২৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মকবুল হোসেন, ২৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোকাদ্দেস হোসেন, ২৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম এবং ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন। নাগরিক সভায় সূচনা বক্তব্য দেন স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার।

সভায় নাগরিক সংগঠনগুলোর নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন নাজিম উদ্দিন, সভাপতি, পুরান ঢাকা নাগরিক উদ্যোগ; ক্যামেলিয়া চৌধুরী, নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ ফোরাম; আমির হাসান, সভাপতি, পরিবেশ আন্দোলন মঞ্চ; মতিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক, লালবাগ থানা আওয়ামী লীগ; জি এম রুস্তম খান, সভাপতি, সচেতন নগরবাসী; উম্মে সালমা, মহাসচিব, নিরাপদ চিকিৎসা চাই; সোহাগ মহাজন, সভাপতি, ক্লিন রিভার বাংলাদেশ প্রমুখ।

সভার মূল বক্তব্যে শরীফ জামিল বলেন, ‘ট্যানারি বন্ধের নানা ষড়যন্ত্র চলছে। আমরা চাই না আমাদের অর্থনীতি ধ্বংস করতে ট্যানারি বন্ধ হোক। অর্থনীতি সচল রেখেই আমাদের পরিবেশ রক্ষা করতে হবে। কারখানায় ইটিপি স্থাপন করে বর্জ্য পরিশোধনের মাধ্যমে তা নিষ্কাশন করতে হবে, যাতে আমাদের উন্নয়নের পাশাপাশি নদীকেও বাঁচিয়ে রাখা যায় আর পরিবেশও রক্ষা পায়। ব্রিটিশরা যদি বুড়িগঙ্গার চেয়ে বেশি দূষিত টেমস নদীকে দূষণমুক্ত করতে সক্ষম হয়, তাহলে আমরাও আমাদের নদীকে ফিরিয়ে আনতে পারব।’

সূচনা বক্তব্যে অধ্যাপক আহমদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘সারা পৃথিবীতে খুব কম শহরই আছে, যা নদী দ্বারা পরিবেষ্টিত। প্রকৃতির অপার দান আমাদের ঢাকার চারপাশের নদীকে আমরা রক্ষা করতে পারছি না। পরিবেশ একা রক্ষা করা যায় না। আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে বুড়িগঙ্গা রক্ষায়।’

সভায় স্থানীয় নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা বলেন, ‘আমরা প্লাস্টিক আর একবার ব্যবহারযোগ্য জিনিসপত্র নদীতে ফেলছি। এতে আমাদের নদীর অবস্থা দিনে দিনে খারাপ হচ্ছে। নদীকে বদলানোর জন্য আগে আমাদের নিজেদের বদলাতে হবে। আমাদের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার স্বার্থেই নদীকে ফিরিয়ে আনতে হবে। বুড়িগঙ্গাকে রক্ষা করতে হবে দূষণ ও দখলের হাত থেকে।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন