বিজ্ঞাপন

মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। সংশ্লিষ্ট থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই মো. আসাদুজ্জামান এসব তথ্য জানান।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাজধানীর শাহ আলী থানার বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে মাহমুদ হাসানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। শুক্রবার বিকেলে কারওয়ান বাজারের র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদ হাসানের বিষয়ে নানা তথ্য তুলে ধরা হয়। ওয়াজের আড়ালে জঙ্গিবাদী মতাদর্শ প্রচার করে সাধারণ জঙ্গিদের উদ্বুদ্ধ করতেন বলে জানিয়েছে র‌্যাব। তাঁর বক্তব্যে যাঁরা উদ্বুদ্ধ হতেন, তাঁদের রাজবাড়ী, কক্সবাজার বা পার্বত্য এলাকায় নিয়ে জঙ্গিবাদের দীক্ষা দিতেন।

র‌্যাবের ভাষ্য, মাহমুদ হাসান দাওয়াতুল ইসলাম নামের একটি সংগঠনের আমির। নিষিদ্ধ না হলেও এ সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেক সদস্য বিভিন্ন সময় জঙ্গিবাদে জড়িয়েছেন। বিভিন্ন সময় তাঁদের গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। মাহমুদ হাসানের কাছ থেকে এ ধরনের সদস্যদের বিষয়ে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। আনসার আল ইসলামের আধ্যাত্মিক নেতা জসিম উদ্দিন রাহমানি। তিনি গ্রেপ্তার হওয়ার পর মাহমুদ হাসান নিজেকে সংগঠনের আধ্যাত্মিক নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। জসিম উদ্দিন রাহমানির মাধ্যমে তিনি আনসার আল ইসলামে যোগ দেন। উগ্রবাদী বক্তব্যের মাধ্যমে অন্যকে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষমতা রয়েছে তাঁর। গত ৫ মে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার আল সাকিবের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনেও তাঁর ভূমিকা রয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন