বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বছর কোভিড-১৯-এর প্রাদুর্ভাবের সময় এই এলাকায় ফ্ল্যাট মালিকদের বাধার পরও কোভিড রোগীদের জন্য কোয়ারেন্টিন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়। যা প্রকল্পের নিয়মের বাইরে। এরপর এখানে একটি বেসরকারি হাসপাতালের কর্মীদের আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়। কোয়ারেন্টিন স্টেশনে থাকা ও হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মীদের আবাসনস্থলে পরিণত করায় এখানে কোভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়েছে। এখানকার বসবাসকারীদের অনেকে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে এই এলাকায় আবারও একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে কার্যক্রম পরিচালনার খবর এখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কয়েকটি দাবি করা হয়েছে

এক. একটি শতভাগ আবাসিক এলাকা হিসেবে বাস্তবায়নাধীন রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও নিয়মনীতি পরিপন্থী বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে ভবন বরাদ্দ ও ব্যবহারের অনুমতিসহ সব তৎপরতা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

দুই. অবিলম্বে প্রকৃত আবেদনকারীদের ফ্ল্যাট বরাদ্দ প্রদান করে রাজউকের প্রসপেক্টাস অনুযায়ী আবাসিক এলাকা হিসাবে বাস্তবায়ন করা।

তিন. স্থাপিত কোয়ারেন্টিন স্টেশন ও বেসরকারি হাসপাতালের কর্মচারীদের আবাসন অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।

চার. প্রকল্প এলাকায় বসবাসকারীদের স্বস্তিকর বসবাস নিশ্চিত করার জন্য রাজউক কর্তৃক প্রতিশ্রুত সব সুযোগ-সুবিধা অবিলম্বে নিশ্চিত করতে হবে।