সভায় বক্তারা বলেন, প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকা, জনগণের করের টাকা ভর্তুকির নামে অপচয় করলেও সংকট এড়ানো যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে আবারও বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির অপচেষ্টাও চলছে । এই অপচেষ্টার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

আজকের সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় কমিটির সংগঠক ও সাবেক সদস্যসচিব এম এম আকাশ। বক্তব্য দেন জাতীয় কমিটির সংগঠক রুহিন হোসেন প্রিন্স, বজলুর রশীদ ফিরোজ, জোনায়েদ সাকী, নজরুল ইসলাম, ডা. হারুন অর রশীদ, আকবর খান, মাসুদ রানা প্রমুখ।

সভায় বলা হয়, দেশের গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার, শিল্প–কৃষিসহ ঘরে ঘরে সুলভে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ দিতে জাতীয় কমিটির খসড়া প্রস্তাব এবং দেশপ্রেমিক বিশেষজ্ঞদের মতামত উপেক্ষা করে আমদানিনির্ভরতা আজ যে সংকট তৈরি করেছে, তার দায় সাধারণ জনগণ নেবে না । এ দায় সরকারকেই নিতে হবে ।

সভায়, জ্বালানি খাতের শ্বেতপত্র প্রকাশ, জ্বালানি অপরাধীদের চিহ্নিত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।

সভায়, দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে জনজীবন, কৃষি ও শিল্প উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের বিলাসি কার্যক্রম বন্ধের আহ্বান জানানো হয়।

সভায় জরুরি ভিত্তিতে দেশের স্থল ও সমুদ্রভাগের গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের পদক্ষেপ গ্রহণ এবং গ্যাসক্ষেত্র থেকে যথাযথভাবে গ্যাস উত্তোলন, চুরি ও অপচয় বন্ধের আহ্বান জানানো হয়।

সভায় বলা হয়, বর্তমান সংকটকে সামনে রেখে নানা মহল বিদ্যুৎ উৎপাদনের নামে হীন স্বার্থ উদ্ধারের প্রচেষ্টা চালাবে। এ বিষয়ে সতর্ক থেকে পরিবেশবান্ধব জ্বালানির দাবি এবং অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর প্রকল্প বন্ধের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখতে সচেতন দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

২১ জুলাই দেশব্যাপী বিক্ষোভ

জাতীয় কমিটির সভায় বিদ্যুতের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং সংকটের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিতে ২১ জুলাই বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। ওই দিন ঢাকাসহ সব জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন