আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সম্রাটের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা বিচারাধীন। চার মামলার মধ্যে গতকাল রোববার তিনি অর্থ পাচার ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের পৃথক দুটি মামলায় জামিন পান। আজ তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় জামিন পেলেন। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সম্রাট এখনো জামিন পাননি। তিনি এখন কারাগারে।

আদালত সূত্র জানায়, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় ১৩ এপ্রিল সম্রাটের জামিন শুনানির তারিখ ধার্য রয়েছে। মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এ বিচারাধীন।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর ইসমাইল ও তাঁর সহযোগী তৎকালীন যুবলীগ নেতা এনামুল হক আরমানকে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। তখন র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তারের সময় তাঁদের কাছে বিদেশি মদ পাওয়া গেছে। এ কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁদের ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেন।

গ্রেপ্তারের পর সম্রাট ও আরমানকে কুমিল্লা থেকে ঢাকায় আনা হয়। ঢাকায় আনার পর সম্রাটকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর কাকরাইলের কার্যালয়ে অভিযান চালায় র‍্যাব। তখন র‍্যাব জানায়, সম্রাটের কার্যালয়ে অভিযানে বন্য প্রাণীর চামড়া, মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র পাওয়া যায়।

বন্য প্রাণীর চামড়া রাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালত সম্রাটকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন। আর অস্ত্র ও মাদক রাখায় সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে রমনা থানায় মামলা হয়। পরে সিআইডি তাঁর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং (অর্থ পাচার) আইনে মামলা করে। আর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুদক।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন