বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন শাহানা আক্তার (৩১), তাঁর স্বামী আনোয়ার হাওলাদার (৩৯), দেলোয়ার হোসেন খলিফা (৩৬), আবদুর রহিম (৫৫), আল মিরাজ ওরফে মিন্টু (৩৮), কামাল খান (৩৯), মো. সাগর (৪০), সোনার দোকানি সবুজ রায় (৩২) ও আবদুর রহিম (৩১)।

সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর বলেন, ৫ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে আশুলিয়ার ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের নয়ারহাট বাজারে ১৯টি জুয়েলার্সে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ৩০ থেকে ৪০ জন সশস্ত্র ডাকাত স্বর্ণালংকার, নগদ টাকাসহ মোট ১ কোটি ২ লাখ ৩২ হাজার টাকার মালামাল লুট করে। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি মামলা করা হয়। ওই মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় সিআইডি।

সিআইডির এই কর্মকর্তা জানান, তদন্তের একপর্যায়ে ১৫ সেপ্টেম্বর শাহানা আক্তার নামের এক নারীকে চার ভরি সোনা ও ২ লাখ ৪৪ হাজার ৮৪০ টাকাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি গ্রেপ্তার হওয়া আনোয়ারের স্ত্রী। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে আল মিরাজ, কামাল খান, আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, দেলোয়ার হোসেন খলিফা, আবদুর রহিম, মো. সাগর এবং ডাকাতির সোনার ক্রেতা সবুজ রায় ও মো. রহিম গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের মধ্যে সাগর ও মো. রহিম ছাড়া অন্যরা আশুলিয়ায় ডাকাতির ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এতে তাঁতীবাজারের দুই সোনা ব্যবসায়ীসহ নয়জনের নাম আসে।

পরে ঢাকার নয়াবাজার এলাকায় রহিমের বাসায় অভিযান চালিয়ে লুট হওয়া ২০ ভরি সোনা উদ্ধার করা হয়।

সিআইডির কর্মকর্তা মুক্তা ধর আরও বলেন, গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাতে ধানমন্ডির রাপা প্লাজার রাজলক্ষ্মী জুয়েলার্সে হানা দিয়ে প্রায় ২০০ ভরি সোনার অলংকার লুট করে ডাকাতেরা। ওই অলংকারের মূল্য প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আশুলিয়ার ডাকাতিতে গ্রেপ্তার সবুজ, রহিমসহ ছয়জন রাপা প্লাজায় ডাকাতির কথাও স্বীকার করেন। পরে তাঁদের তথ্যের ভিত্তিতে নয়াবাজার এলাকায় সবুজের বাসা থেকে লুট হওয়া ১২ ভরি সোনা উদ্ধার করা হয়।

সিআইডি জানায়, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লুট হওয়া স্বর্ণালংকার তাঁতীবাজারে যায়। সেখানে অলংকার গলিয়ে সোনার পাত বানিয়ে বিক্রি করা হয়। ফলে লুট হওয়া স্বর্ণালংকার শনাক্তের উপায় থাকেন না। এই চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন