বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ঢাকা ইউনিভার্সিটি ধামরাই স্টুডেন্টস ফোরামের উপদেষ্টা ইয়ার খান বলেন, দোষী ব্যক্তিদের যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়।

ফোরামের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এম এ ইসলাম আরিফ বলেন, ঘাতক স্বামী গ্রেপ্তার হলেও শ্বশুর–শাশুড়ি এখনো গ্রেপ্তার হননি। তাঁদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, এলমার ক্ষেত্রেও ভিকটিম ব্লেইমিং হচ্ছে। এসব বন্ধ করতে হবে। হত্যাকারী যেন মানসিক রোগী সেজে পার না পেয়ে যান। এ ছাড়া বিবাহিত হলেও ছাত্রীরা যেন হলে সিট পান। তা না হলে এলমার মতো পরিণতি অনেকের হতে পারে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষার্থী যদি এভাবে স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা যান, তাহলে দেশের অন্য নারীদের কী অবস্থা হতে পারে! তাঁরা এলমা হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।

default-image

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন, ফোরামের মাহবুব, সাদ্দাম হোসেন, শারমিন আক্তার, রাদ ও অসীম কুমার বিশ্বাস।

এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এলমা চৌধুরীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হয়েছে। এলমার বাবা সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে রাজধানীর বনানী থানায় এ হত্যা মামলা করেন।

মামলায় এলমার স্বামী ইফতেখার আবেদীন, তাঁর মা শিরিন আমিন ও ইফতেখারের পালক বাবা মো. আমিনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী ইফতেখারকে আটক করে পুলিশ। ইফতেখার কানাডাপ্রবাসী। তিনি সম্প্রতি ঢাকায় ফেরেন বলে জানায় পুলিশ।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিলে এলমার সঙ্গে ইফতেখারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর ইফতেখার ও তাঁর মা-বাবা এলমাকে পড়ালেখা বন্ধ করে দিতে বলেন। এলমা পড়া বন্ধ করতে না চাওয়ায় ইফতেখার ও তাঁর মা-বাবা মিলে তাঁকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। একপর্যায়ে তাঁর মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়। বিয়ের তিন মাস পর ইফতেখার কানাডায় চলে যান। ১২ ডিসেম্বর তিনি ফিরে আসেন।

সাইফুল চৌধুরীর স্ত্রীর মুঠোফোনে কল করে ইফতেখার জানান, তাঁর মেয়ে গুরুতর অসুস্থ। চিকিৎসার জন্য তাঁকে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। তাঁদের আসতে বলেন তিনি।

সাইফুল চৌধুরীর অভিযোগ, আসামিদের সন্দেহজনক আচরণ দেখে মেয়ের লাশ পর্যালোচনা করেন তিনি। দেখেন, এলমার নাকে, ওপরের ঠোঁটে, পিঠের ডান পাশে, বাঁ কানসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমের চিহ্ন। সাইফুল চৌধুরী এজাহারে বলেছেন, তিন আসামি পরস্পর যোগসাজশে পরিকল্পিতভাবে এলমাকে মারধর করে হত্যা করেছেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন