বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ক্রম অনুসারে বিষয়টি উঠলে রিট আবেদনকারীদের রিট দায়ের করার সপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রিট দায়েরের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। পরে আদালত ২৯ সেপ্টেম্বর আদেশের জন্য দিন রাখেন। এর আগে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেল বক্তব্য উপস্থাপন করতে পারবেন বলেন আদালত।

আড়ি পাতা প্রতিরোধ ও ফাঁস হওয়া ফোনালাপের ২০টির বেশি ঘটনায় কমিটি গঠন করে তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে গত ১০ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবী ওই রিট করেন।

১৩ সেপ্টেম্বর শুনানিতে আইনজীবী শিশির মনির বলেন, আড়ি পাতা ও ব্যক্তিগত ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। এসব রোধে বিটিআরসির নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ঘটনাগুলো তদন্ত চাওয়া হয়েছে। বেআইনিভাবে কারা এসব করছে, তা খতিয়ে দেখা দরকার।

অন্যদিকে, শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, রিট আবেদনকারীরা কেউ ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হননি। আইন অনুসারে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ আছে। তিনি মামলা করতে পারেন। বিটিআরসির কাছে তাঁর অভিযোগ করার সুযোগ আছে। এখানে সুনির্দিষ্ট বিকল্প প্রতিকারের ব্যবস্থা আছে। আর বিকল্প প্রতিকার থাকলে সে ক্ষেত্রে রিট চলে না। রিট আবেদনকারীদের কেউই সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি নন। তাঁদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়নি। তাই রিট গ্রহণযোগ্য নয়। অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্য সমর্থন করে সেদিন শুনানিতে অংশ নেন বিটিআরসির আইনজীবী খন্দকার রেজা-ই-রাকিব।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন