বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সরেজমিনে দেখা যায়, পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজার মোড় এলাকা থেকে সিএমএম আদালতের দক্ষিণ–পূর্ব পাশ পর্যন্ত সদরঘাট সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ইভ্যালির গ্রাহক পরিচয়দানকারী ব্যক্তিরা রাসেল ও তাঁর স্ত্রীর ছবি হাতে নিয়ে মানববন্ধন করেন। তাঁরা রাসেল ও শামীমার মুক্তি দাবি করেন।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া একাধিক ব্যক্তি প্রথম আলোকে জানান, তাঁরা চান, ইভ্যালির রাসেল-শামীমাকে ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া হোক। তাঁরা যদি জামিনে থেকে ব্যবসা করার সুযোগ পান, তাহলে গ্রাহকদের পাওনা টাকা পরিশোধ করবেন বলে তাঁদের বিশ্বাস।

default-image

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে ঢাকা কলেজের ছাত্র মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমি ইভ্যালির একজন গ্রাহক। আমি অনেক পণ্য ইভ্যালিতে অর্ডার করেছি। কিন্তু পণ্য এখনো হাতে পাইনি। রাসেল ও শামীমা মুক্তি পেলে পণ্যগুলো হয়তো হাতে পাব।’

গুলশান থানার মামলায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে আজ রাসেল ও শামীমাকে আদালতে পাঠাবে পুলিশ। গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার নিউটন দাস বলেন, এ মামলায় রাসেল ও শামীমার নতুন করে আর রিমান্ড চাওয়া হবে না।

default-image

গত বৃহস্পতিবার মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসা থেকে রাসেল ও শামীমাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। র‍্যাব সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলন শেষে শুক্রবার তাঁদের গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়। তার আগে বুধবার গভীর রাতে আরিফ বাকের নামের একজন গ্রাহক প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রাসেল-শামীমার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা করেন। এ মামলায় শুক্রবার রাসেল ও শামীমার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

default-image

ইভ্যালির কাছে গ্রাহক পাবেন প্রায় ৭০০ কোটি টাকা। আর পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো পাবে আরও প্রায় ২৫০ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে বাজারে ইভ্যালির দেনা ৯৫০ কোটি টাকা। তিন দিনের রিমান্ডে পুলিশের কাছে এ পরিমাণ দেনার কথা স্বীকার করেন রাসেল ও শামীমা। ইভ্যালির সিইও ও চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসাবাদের সঙ্গে যুক্ত পুলিশের কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানান।

default-image

এদিকে ধানমন্ডি থানায় প্রতারণার অভিযোগে এ দুজনসহ ইভ্যালির ২০ কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করে আরও একটি মামলা হয়েছে। এ মামলায় ধানমন্ডি থানা-পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে ইতিমধ্যে আদালতে আবেদন করেছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন