বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ছোট নাতনিসহ পরিবারের চার সদস্য নিয়ে সাভারের আশুলিয়া থেকে মিরপুর চিড়িয়াখানায় ঘুরতে আসেন মমতাজ বেগম। তিনি বলেন, এবার ঈদে আমরা গ্রামের বাড়িতে যাইনি। সামনের ঈদে যাব। ঈদের দিনে আনন্দ করতে চিড়িয়াখানায় নাতনিকে নিয়ে ঘুরতে এসেছিলাম। চিড়িয়াখানা ঘুরে ভালোই লাগল।

default-image

বাড্ডা থেকে পরিবারের পাঁচ সদস্যকে নিয়ে চিড়িয়াখানায় ঘোরেন আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, ‘পোলাপান আবদার করেছে চিড়িয়াখানায় আসবে৷ তাই ওদের নিয়ে এলাম। পোলাপান খুশি হয়েছে। তবে চিড়িয়াখানায় যত সুন্দর ও বেশি প্রাণী ছিল, এখন নেই।’

ঈদ উপলক্ষে আজ অফিস বন্ধ থাকলেও গ্রামে যাওয়ার ছুটি মেলেনি মিরপুর ১ নম্বর এলাকার মো. লিমন শেখের। তিনি বলেন, ‘বাসায় ছিলাম। ভালো লাগছিল না। তাই চিড়িয়াখানায় ঘুরতে এলাম।’

default-image

জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর ও ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. মজিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, আজ বৃষ্টির কারণে সকালে দর্শনার্থী তেমন ছিল না। বৃষ্টি কমে যাওয়ার পর দর্শনার্থীদের চাপ শুরু হয়, সেটা বিকেল পর্যন্ত অব্যাহত আছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৩৫ হাজার দর্শনার্থী চিড়িয়াখানায় এসেছে। এ সময় ৯ শিশু হারিয়ে গিয়েছিল। তাদের উদ্ধার করে অভিভাবকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন