চালকেরা বলছেন, প্রশাসন দুর্ঘটনা রোধের জন্য যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা যৌক্তিক। দুর্ঘটনার বেশির ভাগই ঘটে অদক্ষ ও অবৈধ লাইসেন্সধারী চালকদের মাধ্যমে। সেই ক্ষেত্রে এসব চালককে নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। তবে যাঁদের কাছে বৈধ লাইসেন্স রয়েছে, তাঁদের মোটরসাইকেল চালাতে দেওয়া উচিত। কারণ, মোটরসাইকেল চালাতে না দিলে তাঁদের ঈদযাত্রা ভোগান্তিতে পরিণত হবে।

আজকের এই কর্মসূচিতে অংশ নেন দেশের বিভিন্ন মোটরসাইকেল–সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সদস্যরা।

বাংলাদেশি ক্লাব বাইকারস সংগঠনের সমন্বয়ক ফকর উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ঈদ উদ্‌যাপন করতে ঘরমুখী মানুষের পরিবহনসেবা অপ্রতুল। সে ক্ষেত্রে অনেকে নিজস্ব পরিবহন ব্যবহার করে প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে যান। সড়কে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও আনুষঙ্গিক নিরাপত্তা উপকরণ ব্যবহার করে এবং ট্রাফিক শৃঙ্খলা মেনে দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব। কোনো ক্ষেত্রেই বাইক বন্ধ করে দেওয়া সমস্যার সমাধান নয়।

মোটরসাইকেলের চালকেরা জানান, ঈদ ঘিরে মহাসড়কে মোটরসাইকেল চালানোর বিধিনিষেধ অপসারণের দাবি জানিয়ে গত রোববার তাঁরা ঢাকা জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন