এ ছাড়া সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঢাকা নদীবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর এলাকায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। কোনোভাবেই লঞ্চে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল পরিবহন করা যাবে না। লঞ্চে অনুমোদিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া আদায় করা যাবে না। অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রী সাধারণের সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন যাতায়াতের লক্ষ্যে ঢাকা ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকায় গার্মেন্টস ও নিটওয়্যার সেক্টরে নিয়োজিত কর্মীদের এলাকাভিত্তিক/পর্যায়ক্রমে ছুটি প্রদানের ব্যবস্থা করা।
সভায় জানানো হয়েছে, নৌপথে চলাচলকারী যাত্রীসাধারণ জরুরি প্রয়োজনে ও সেবাসংক্রান্ত বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর হটলাইন নম্বর ১৬১১৩-তে যোগাযোগ করবেন।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর আবু জাফর মো. জালালউদ্দিন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার সভাপতি মাহবুব উদ্দিন আহমেদ, লঞ্চ মালিক সমিতির সহসভাপতি শহীদুল ইসলাম ভূইয়া ছাড়াও বিআইডব্লিউটিএ, বিআইডব্লিউটিসি, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপাররা সরাসরি ও অনলাইনে অংশ নেন।