বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ সোমবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব আরও জানায়, রংপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় মন্দিরে হামলার ঘটনা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক তথ্য ফেসবুকে প্রচার করা হয়েছিল। এসব ভিডিও দেখে চৌমুহনীর শ্রী শ্রী রাধামাধব জিউর মন্দিরে হামলা চালানো হয়। হামলার ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার চারজন হলেন মনির হোসেন রুবেল, জাকের হোসেন রাব্বী, মো. রিপন ও নজরুল ইসলাম সোহাগ। গতকাল রোববার ডেমরা, নারায়ণগঞ্জ বন্দর ও নোয়াখালী থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। চৌমুহনীর ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে মন্দিরের পূজার সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।

র‍্যাব আরও জানায়, রুবেল, রাব্বী ও রিপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে প্ররোচিত হয়ে প্রত্যক্ষভাবে হামলায় অংশগ্রহণ করেন। হামলার পর তাঁরা দুটি বস্তায় করে মন্দিরের বিভিন্ন পিতলের পূজার সামগ্রীসহ অন্যান্য দামি সামগ্রী লুট করে নিয়ে যান। আর সোহাগ এসব সামগ্রী বিক্রিতে সহযোগিতা করেন।

খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘মন্দিরে হামলার ঘটনা ও সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

গ্রেপ্তার রুবেল, রাকিব, রিপন ও সোহাগ বিভিন্ন পেশায় জড়িত। কেউ গাড়িচালক, চালকের সহকারী, আবার কেউ ছিনতাই চক্রের সদস্য। রুবেলের বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ থানায় চুরি ও ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে ৩টি সিঁদুরের কৌটা, ২০টি বাতির কৌটা, ২টি ধূপদানি, ৫টি পাঞ্জা, হাতে তৈরি ৫টি প্রতিমা, ১১টি গ্লাস, পিতলের অলংকারসহ বিভিন্ন সামগ্রী।
১৫ অক্টোবর চৌমুহনীর এই মন্দিরে হামলা হয়েছিল। এর আগে কুমিল্লা রংপুর, চাদপুর, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় হামলা হয়। এসব হামলায় ফেসবুকে উসকানি ছিল বলেও জানায় র‍্যাব।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন