বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, বিমান সব সময় দেশ ও মানুষের প্রয়োজনে সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে কাজ করে। এই করোনা মহামারির সময়েও এর ব্যত্যয় হয়নি।

উহানে অবরুদ্ধ বাংলাদেশিদের উদ্ধারে বিমানের কর্মীদের প্রশংসা করে মাহবুব আলী বলেন, ‘বিমানের পাইলট ও কেবিন ক্রুরা দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে জীবনের মায়া তুচ্ছ করে দায়িত্ব পালন করেছেন। অপারেশন (কার্যক্রম) সীমিত হলেও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও বিমানবন্দর এক দিনের জন্যও বন্ধ হয়নি।’

গত ১৭ আগস্ট দেশে প্রথমবারের মতো বিমানের প্রকৌশলীদের মাধ্যমে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার আকাশবীণা উড়োজাহাজের সি-চেক শুরু হয়; যা শেষ হয় ২৮ আগস্ট। সি-চেক কার্যক্রম হচ্ছে জটিল ও উচ্চ কারিগরি দক্ষতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া, যেখানে উড়োজাহাজের বিভিন্ন অংশ খুলে বিশদভাবে নিরীক্ষা করা হয়। প্রতি তিন বছর পরপর সি-চেক করতে হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সি-চেক শেষ হওয়ায় বিমানের আর্থিক সাশ্রয় হয়েছে ছয় লাখ মার্কিন ডলার। এ বছর আরও একটি ও আগামী বছর চারটি ড্রিমলাইনারের সি-চেক দেশে করা হবে। এতে তিন থেকে চার মিলিয়ন মার্কিন ডলার সাশ্রয় হবে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন প্রমুখ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন