বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনে গ্রাহকেরা প্রশ্ন তোলেন, একুশ শতকে ডিজিটাল সময়ে এসে কেন মানুষের টাকা আটকে থাকবে? সরকারের নজরদারির মধ্যে এমন ডিজিটালি প্রতারণা কেন হবে? এত নিয়ম থাকার পরও কেন মানুষের টাকা আটকে রাখা হবে?

কিউকম কাস্টমার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জেসি আলম বলেন, ‘ফোস্টার গেটওয়েটি গোয়েন্দা সংস্থার পরামর্শে বন্ধ রাখায় আমাদের অর্থ ফেরত পাচ্ছি না। গ্রাহকদের প্রায় ২৫০ কোটি টাকা গেটওয়েটির কাছে আটক রয়েছে।’ তাদের কষ্টার্জিত সঞ্চয়ের অর্থ ফেরত পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান তিনি।

বাংলাদেশ ব্যাংক গত জুনে ‘এসক্রো সিস্টেম’ চালু করেছে। এ পদ্ধতিতে ক্রেতার টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত পেমেন্ট গেটওয়ের কাছে জমা থাকে। কিউকমের পেমেন্ট গেটওয়ে ছিল ফোস্টার পেমেন্টস। এ পদ্ধতিতে কিউকম ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছে দিয়ে চালানসহ নথিপত্র ফোস্টারে জমা দেওয়ার কথা।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন