বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান র‍্যাব-১০–এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মাহফুজুর রহমান। তিনি বলেন, গোপন খবরের ভিত্তিতে নিউমার্কেট থানাধীন এলিফ্যান্ট রোডের তালহা এন্টারপ্রাইজ নামের এক প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জামসহ রাকিব হাসান ও বাবর উদ্দিনকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর তুরাগ থানাধীন একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ভিওআইপি কন্ট্রোল রুমের সন্ধান পাওয়া যায়। এ সময় অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা চক্রের প্রধান কাজী এম এম মাহামুদকে আটক করা হয়।

default-image

বিটিআরসি (টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, অবৈধ টেলিযোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে চক্রটি প্রতিদিন আনুমানিক প্রায় ছয় লাখ আন্তর্জাতিক কল মিনিট অবৈধভাবে দেশে টার্মিনেট করছিল। ফলে সরকার দৈনিক প্রায় ৩ লাখ টাকা এবং বছরে প্রায় ১০ কোটি ৯৫ লাখ টাকা রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছিল। আটক ব্যক্তিরা অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ী ও ভিওআইপির যন্ত্রাংশ ক্রয়-বিক্রয়কারী। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন।

র‍্যাবের পরিচালক মাহফুজুর রহমান বলেন, একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১৫টি সিম নিবন্ধন করে ব্যবহার করতে পারেন, কিন্তু চক্রটি কীভাবে সরকারি প্রতিষ্ঠান টেলিটকের ৩ হাজার ৪০০ সিম ক্রয় করে ব্যবহার করে আসছিল, জানতে চাইলে র‍্যাব-১০–এর প্রধান বলেন, বিষয়টি র‍্যাব ও বিটিআরসির নজরে এসেছে। এ নিয়ে তদন্ত করা হবে। তিনি আরও বলেন, তাঁদের এই ভিওআইপি কল অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হচ্ছিল কি না, তা–ও খতিয়ে দেখা হবে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন