বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আমিনুল হক বলেন, দুই ভাই ব্যাংক থেকে ২৫০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে পুরোটাই শোধ করেছেন। তাঁরা ভালো মানুষ, পালিয়ে যায়নি। তাঁদের ব্যবসার সব হিসাব এবং ট্যাক্স ফাইল আছে। এত দিন পরে এই বক্তব্য দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হাতে পেতে সময় লেগেছে। এসব নথিপত্র আদালতেও দাখিল করবেন তাঁরা।

আমিনুল হক বলেন, এনু–রুপন আটক থাকায় তাঁদের ব্যবসা বন্ধ রয়েছে। দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে ক্যাসিনো–কাণ্ডে জড়িত থাকার কথা বলা হলেও মামলায় ক্যাসিনোর বিষয় উল্লেখ নেই। আবার তাঁদের সব মামলা জামিনযোগ্য কিন্তু তাঁদের জামিন দেওয়া হচ্ছে না। ২০১১ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সরকারকে এই দুই ভাই ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা কর দিয়েছেন বলে দাবি করেন তাঁদের চাচা।

পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) তদন্তে এনু–রুপনের ১২৮টি ফ্ল্যাট পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আমিনুল হক বলেন, এগুলো বৈধ আয়ে কিনেছেন এবং নিয়ম মেনেই এসব করেছেন তাঁরা।

সংবাদ সম্মেলনে আমিনুল হক দুই ভাইয়ের ব্যবসা সম্পর্কিত বিভিন্ন চালান ও করের নথিপত্র নিয়ে হাজির করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, এনু–রুপন ইস্পাত ব্যবসায়ী। ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের ক্যাসিনো–কাণ্ডের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক নেই দাবি করে তিনি বলেন, ক্লাবের ২০১৮–১৯ সালের কমিটিতেও দুই ভাই ছিলেন না। পাশাপাশি দুই ভাই ষড়যন্ত্রের শিকার বলে দাবি করেন তিনি।

অপর দিকে এনু ও রূপনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে র‌্যাব যে টাকা, সোনা ও বিদেশি মুদ্রা পেয়েছে, তার সবই বৈধ বলে দাবি করেন আমিনুল হক। বাড়িতে প্রচুর টাকা পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গ্রেপ্তারের পর তাঁদের সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করে দেওয়া হয়। তাই ইস্পাত বিক্রির টাকা ঘরে রাখতে হয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন