বিজ্ঞাপন
default-image

খন্দকার সাইফুল আলম বলেন, দালালদের খপ্পরে পড়া রোগী, স্বজন ও ধরা পড়া চক্রের মূল হোতা সাহাদাত হোসেনের তথ্যের ভিত্তিতে শ্যামলীর বেসরকারি ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার হাসপাতালের সামনে থেকে ওই হাসপাতালের কর্মচারী মহিন উদ্দিন, রহমত উল্লাহ ও আকরাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা সরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার কথা বলে রোগী ভাগিয়ে নেয়। এ জন্য তাঁরা মোটা অঙ্কের কমিশন পেতেন।

র‍্যাবের কর্মকর্তা সাইফুল আলম বলেন, দালালেরা ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রোগী ভর্তি করিয়ে ও সেখানে পরীক্ষা–নিরীক্ষার মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতেন। ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও আবার বিভিন্ন পন্থায় রোগীদের কাছ থেকে অত্যধিক বিল আদায় করতেন। হাসপাতালটির দালালেরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নির্দিষ্ট কমিশনের বিনিময়ে রোগী নিয়ে আসতেন। দালাল চক্রের মূল হোতা সাহাদাত এখন হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে আনা দালাল চক্রের মূল হোতা, মাদক ব্যবসা ও জাল নোটের ব্যবসা করছিলেন। এ নিয়ে এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন