বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাঙলার পাঠশালা দেশের তরুণদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে তারা এ পর্যন্ত বারোটি পাঠচক্র, দুই শতাধিক সেমিনার, তিনটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনসহ দেড় শতাধিক পুস্তিকা–জার্নাল ও তিনটি বই প্রকাশ করেছে। তাদের কর্মসূচিতে এ পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্র যোগ দিয়েছেন। দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদদের কর্মের ওপর পাঠচক্র করেছে তারা। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের কর্মের ওপর বছরব্যাপী আন্তর্জাতিক বক্তৃতামালা আয়োজন করেছে তারা।

ফেলোশিপের মেয়াদে বাঙলার পাঠশালা নিজেদের ওয়েবসাইটের মানোন্নয়ন করেছে। সমসাময়িক পাণ্ডিত্যপূর্ণ রচনা ও চর্চার সঙ্গে দেশের তরুণদের পরিচয় করিয়ে দিতে তারা এ উদ্যোগ হাতে নেয়, যাতে তরুণেরা অনলাইনে এ পাঠ নিতে পারেন। বাঙলার পাঠশালা এযাবৎ যত শিক্ষা উপকরণ তৈরি করেছে, সেগুলোও ডিজিটাইজ করছে তারা। এতে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের গবেষকেরা উপকৃত হবেন।

বাঙলার পাঠশালা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আহমেদ জাভেদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘স্বপ্নের সাহসে ভর করে পথে নেমেছিলাম। তখন অনেক সংকোচ ও অনিশ্চয়তা ছিল। যতই পথ চলছি, দেখছি, সংকোচ কাটছে, বাড়ছে সাহসের দৈর্ঘ্য। অনেকেই সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা’।

বাঙলার পাঠশালার শুরু ২০০৯ সালের মে মাসে। মূলত, বাংলা ভাষায় বাংলাদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, ইতিহাস আলোচনা ও পুস্তক প্রকাশ করাই এর উদ্দেশ্য।

সেই থেকে ধারাবাহিকভাবে বছরে একজন করে তাত্ত্বিকের ওপর পাঠচক্র আয়োজন করছে তারা। বছরজুড়ে ১০টি ক্লাসে বিভক্ত এ পাঠচক্রে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন দেশের জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তিরা। প্রতিটি ক্লাসই অনুষ্ঠিত হয় বাংলা ভাষায়। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে জ্ঞানপিপাসু মানুষ নিবন্ধন করে ক্লাসগুলোয় অংশগ্রহণ করেন। ইতিমধ্যে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, সরদার ফজলুল করিম, অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, অধ্যাপক আনিসুর রহমান, অধ্যাপক নুরুল ইসলাম, অধ্যাপক রেহমান সোবহান প্রমুখের ওপর পাঠচক্র সম্পন্ন হয়েছে।

এ ছাড়া বাঙলার পাঠশালা আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের নামে সাহিত্য পুরস্কার ও সরদার ফজলুল করিমের নামে দর্শন পুরস্কার দিচ্ছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন