বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার জানান, গত ১৫ মে খিলগাঁও ফ্লাইওভারের নিচে রেমন্ড টেইলার্সের সামনের রাস্তায় মনিরুজ্জামান সুমন ও তাঁর সহযোগীরা সাইফুল ইসলামকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেন। তাঁরা মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। গুলিবিদ্ধ সাইফুল একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। এ ঘটনায় সবুজবাগ থানায় মামলা হয়।

গ্রেপ্তার দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে হাফিজ আক্তার বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানান, সুমন ও সাইফুল একসঙ্গে রাজনীতি করতেন। সাইফুল ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর তাঁদের সম্পর্কে ফাটল ধরে। এরপর তাঁরা আলাদা গ্রুপ তৈরি করে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। স্থানীয় যুবক বাশার হত্যার ঘটনায় করা মামলায় সাইফুল দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। বাশার স্থানীয় রিপন গ্রুপের সদস্য ছিলেন।

সাইফুল কারাগারে থাকায় সুমন ও রিপন গ্রুপ এলাকায় একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ নেয়। সাইফুল জামিনে বের হলে সুমন ও রিপন গ্রুপের আধিপত্য কমে আসে। এ কারণে দুই গ্রুপ একত্র হয়ে সাইফুলকে গুলি করে পালিয়ে যায়।

পুলিশের ওই কর্মকর্তা আরও জানান, এই দুজন ছাড়াও এ মামলায় ৯ আসামির মধ্যে মঞ্জুরুল ইসলাম, রাসেল তালুকদার, উজ্জ্বল তালুকদার ও আমির হোসেন নামে চারজন কারাগারে আছেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন