বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালত বলেছেন, ইতিপূর্বে তিনি (ওয়াসার এমডি) আদালতে উপস্থিত হয়ে প্রতিশ্রুতি দেন যে, রায় বাস্তবায়ন করবেন। অথচ প্রতিশ্রুতি অনুসারে রায়ের বাস্তবায়ন হয়নি। বারবার এফিডেভিড নিয়ে সময়ক্ষেপণ করেছেন।

আদালতে রিট করে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)। এর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী উম্মে সালমা। পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আমাতুল করীম।

আইনজীবী মনজিল মোরসেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওয়াসার এমডির পক্ষে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। তবে রায় বাস্তবায়ন না হওয়ায় আদালত প্রতিবেদনটি গ্রহণ করেননি। আদালত বলেছেন রায় বাস্তবায়নে তাঁর নিজের দেওয়া প্রতিশ্রুতি এমডি রক্ষা করেননি। ওয়াসার এমডিকে সতর্ক করে দিয়ে হাইকোর্ট রায় যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করে এক মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। ১৮ অক্টোবর পরবর্তী দিন রাখা হয়েছে।’

বুড়িগঙ্গা নদীর পানি দূষণ রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে এইচআরপিবির পক্ষে ২০১০ সালে একটি রিট করা হয়। চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১১ সালের ১ জুন তিন দফা নির্দেশনাসহ রায় দেওয়া হয়। এর মধ্যে বুড়িগঙ্গায় বর্জ্য ফেলা বন্ধে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে এবং বুড়িগঙ্গা নদীতে সংযুক্ত সব পয়ঃপ্রণালির লাইন (সুয়ারেজ) ও শিল্পকারখানার বর্জ্য নিঃসরণের লাইন ছয় মাসের মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা রয়েছে। তবে ওই নির্দেশনা পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হওয়ায় গত বছরের ৩০ এপ্রিল সম্পূরক আবেদন করে এইচআরপিবি। এর পরিপ্রেক্ষিতে নির্দেশনা বাস্তবায়নে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা জানিয়ে বিবাদীদের আদালতে অগ্রগতি প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এর ধারাবাহিকতায় গত ৪ মার্চ ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খান আদালতে হাজির হয়ে রায় বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন বলে জানান আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। তিনি বলেন, পরবর্তীতে গত ১৮ আগস্ট ওয়াসার এমডির পক্ষে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়। তবে রায় বাস্তবায়ন না হওয়ায় সময় দেওয়া হয়। এরপর ৭ সেপ্টেম্বর ওয়াসার এমডির পক্ষে আরেকটি প্রতিবেদন দেওয়া হয়, যা আজ আদালতে উপস্থাপিত হয়।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন