default-image

ঢাকা ওয়াসার কাছ থেকে পাওয়া পাম্পস্টেশনগুলো অচল বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। জলাবদ্ধতা নিরসনে অচল পাম্পস্টেশনকে বড় প্রতিকূলতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা ওয়াসা থেকে যে পাম্পস্টেশন পেয়েছি সেগুলো অচল, আমরা এগুলো এখনো চালু করতে পারিনি। আমরা বিশেষজ্ঞ এবং কারিগরি বিশেষজ্ঞদের দিয়ে কাজ করাচ্ছি।’

সাপ্তাহিক নিয়মিত পরিদর্শনে গিয়ে আজ বুধবার দুপুরে দক্ষিণ মান্ডা এলাকায় ফজলে নূর তাপস এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি রাজধানীর বাসাবো ও মুগদা এলাকার পানি নিষ্কাশনের অন্যতম পথ মান্ডা খালের চলমান বর্জ্য অপসারণ ও উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।  

দখলদারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে দক্ষিণ সিটির মেয়র বলেন, ‘জানুয়ারি মাসের প্রথম থেকে খাল দখলমুক্ত এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেছি। এই কার্যক্রম চলমান আছে। যত প্রভাবশালী হোক না কেন, আমাদের কাজকে কেউ ব্যাহত করতে পারবে না।’

বিজ্ঞাপন

অভিযানে নেমে ১০০ ফুট চওড়া শ্যামপুর খালের মাত্র ৮ ফুট জায়গা পেয়েছেন জানিয়ে মেয়র তাপস বলেন, ‘সেটি আমরা দখলমুক্ত করেছি, আরও কাজ চলছে। একই রকম অবস্থা প্রায় সব খালেরই। সব খালেই আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আজ আমরা মান্ডা খালে এসেছি, এখানেও দেখতে পাচ্ছি নতুন করে কিছু দখল হয়েছে। আমরা আজ থেকে এখানেও ব্যবস্থা নেব।’

দক্ষিণ সিটির মেয়র জানান, এ পর্যন্ত অভিযানের ৪৫ দিনে খাল থেকে প্রায় এক লাখ মেট্রিক টন বর্জ্য এবং মাটি অপসারণ করা হয়েছে। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত আরও গতিশীলভাবে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বর্ষা মৌসুমে যেন বৃষ্টির পানি খাল দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে, এ জন্যই এ উদ্যোগ।

দক্ষিণের মেয়র আরও বলেন, ‘আগামী মার্চের মাঝামাঝি গিয়ে আমাদের কাজের কৌশল এবং পরিকল্পনা কিছুটা ঢেলে সাজাব। সে সঙ্গে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত আমাদের কার্যক্রম প্রসারিত করব। যদিও এই কার্যক্রম অত্যন্ত দুরূহ, তবুও আমাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এই গতিতে যদি আমাদের কাজ চলমান রাখতে পারি, তাহলে ইনশা আল্লাহ জলাবদ্ধতা অনেকাংশেই নিরসন হবে এবং ঢাকাবাসীকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তির সুফল কিছুটা হলেও দিতে পারব।’

এ সময় দক্ষিণ সিটির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. বদরুল আমিন, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন
রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন