বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে আজ সকাল থেকেই রাজধানীর সড়কে যানবাহনের চলাচল অন্য দিনের তুলনায় অনেক বেড়ে গেছে। ব্যক্তিগত গাড়ির পাশাপাশি প্রচুরসংখ্যক মোটরসাইকেল, কাভার্ড ভ্যান, এমনকি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সড়কে নেমেছে। আর রিকশা তো আছে। যানবাহনের ব্যাপক চাপে আজ সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যানজট দেখা গেছে।

সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক কবির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘ম্যালা দিন পর আজ রাস্তায় নামলাম। কিন্তু সকালেই ৬০০ টাকার মামলা খাইলাম।’ কবির ৪০০ টাকা ভাড়ায় যাত্রী নিয়ে গুলশান থেকে আগারগাঁও যাচ্ছিলেন।

সকালে উত্তরার আবদুল্লাহপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত সড়কে ব্যাপক যানজট দেখা যায়।

সায়েদাবাদ ও গাবতলীর দিক থেকেও সড়কপথে অনেক গাড়ি রাজধানীতে ঢুকতে দেখা যায়। ফলে রাজধানীর ফার্মগেট, মহাখালী, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর এলাকায় যানজট দেখা যায়।

এ ছাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ও বিজয় সরণি এলাকায়ও যানজট দেখা গেছে।
শাহবাগ, কাকরাইল ও পল্টন এলাকায় সড়কের মোড়গুলোতে যানবাহনের চাপ রয়েছে।

বিধিনিষেধ কার্যকরে সড়কে দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা আগের তুলনায় আজ কম দেখা গেছে।

এত দিন বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অন্তত সাতটি জায়গায় তল্লাশিচৌকি বসিয়ে পুলিশকে সক্রিয় থাকতে দেখা যায়। আজ বনানীর চেয়ারম্যানবাড়ি ছাড়া এই সড়কের কোথাও তল্লাশিচৌকি দেখা যায়নি। সড়ক থেকে অধিকাংশ তল্লাশিচৌকি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে বেষ্টনী থাকলেও সেখানে কোনো পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব পালনে তৎপর দেখা যায়নি।

বিমানবন্দর সড়কে দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট আতিকুর রহমান সকালে প্রথম আলোকে বলেন, ‘চেকপোস্ট এখনো আছে। তবে আজ গাড়ির চাপ অনেক বেড়ে গেছে। সে জন্য সড়কের ওপর থেকে বেষ্টনী সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন