default-image

ঢাকা ওয়াসার কাছ থেকে পাওয়া পাম্পিং স্টেশনগুলোর মধ্যে থাকা পাম্প মেশিনগুলোকে অচল বলে দাবি করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।

দক্ষিণ সিটির ভাষ্য, রাজধানীর কমলাপুর পাম্পিং স্টেশনে থাকা তিনটি পাম্প মেশিনের মধ্যে আজ সোমবার বিকেলে একটি মেশিন তারা সচল করেছে।

বর্ষা মৌসুমে এসব পাম্প মেশিনের মাধ্যমেই বৃষ্টির পানি সেচে ঢাকার চারপাশের নদ–নদীতে ফেলা হয়।

বিজ্ঞাপন

আজ রাতে দক্ষিণ সিটির জনসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা ওয়াসার কাছ থেকে গত ২৬ জানুয়ারি দক্ষিণ সিটি করপোরেশন অন্যান্য যান–যন্ত্রপাতির সঙ্গে কমলাপুর ও ধোলাইখাল পাম্পিং স্টেশন দুটিও বুঝে নেয়। দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার পর দেখা যায় এসব পাম্পিং স্টেশনগুলোর মধ্যে থাকা ছয়টি পাম্প মেশিনই অচল। তখন থেকে এসব মেশিন সচল করার কাজ করছে দক্ষিণ সিটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বিকেলে কমলাপুর পাম্পিং স্টেশনের তিনটি পাম্প মেশিনের মধ্যে একটি মেশিন সচল করা সম্ভব হয়েছে।

৫ কিউসেক ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাম্প মেশিনটি প্রতি সেকেন্ডে ৫ হাজার লিটার পানি সেচ করতে পারে। অচল অবস্থায় থাকা কমলাপুরের পাম্পিং মেশিনগুলোরও ধারণক্ষমতা একই। এ ছাড়া ধোলাইখাল পাম্পিং স্টেশনের তিনটি পাম্প মেশিনগুলোর প্রতিটি প্রতি সেকেন্ডে ৭ হাজার ৪ লিটার পানি সেচতে পারে।

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর ঢাকা ওয়াসার কাছ থেকে এক সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে খাল ও বক্স কালভার্টের দায়িত্ব বুঝে নেয় দক্ষিণ সিটি। এরপর পাম্পিং স্টেশনগুলোরও দায়িত্ব বুঝে নেওয়া হয়।

দক্ষিণ সিটির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মো. বদরুল আমিন বলেন, ওয়াসার কাছ থেকে খাল ও বক্স কালভার্টের দায়িত্ব বুঝে পাওয়ার পর থেকে তারা তিনটি খাল ও দুটি বক্স কালভার্ট পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। কমলাপুর পাম্পিং স্টেশনের তিনটি পাম্প মেশিনের মধ্যে একটি মেশিন সচল করতে পারা অবশ্যই এই কার্যক্রমের ইতিবাচক দিক।

অচল অবস্থায় পাম্পিং স্টেশনে থাকা পাম্প মেশিন দক্ষিণ সিটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে কি না, এই প্রশ্নের উত্তর জানতে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খানের মুঠোফোনে কল করেছে প্রথম আলো। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি।

বিজ্ঞাপন
রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন