বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে বসে ছিলেন বাবুল সরকার। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, করোনার কারণে গত দুই ঈদে তিনি বাড়িতে যাননি। এবার মা-বাবার সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন করতে বাড়িতে যাচ্ছেন। ট্রেনে টিকিট কাটা নিয়ে কিছুটা সমস্যা হয়েছিল। কিন্তু আজকের ব্যবস্থাপনায় তিনি সন্তুষ্ট।

শিডিউল অনুযায়ী কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটির বেলা পৌনে ১১টায় ছাড়ার কথা। বাবুল সরকারের সঙ্গে কথা শেষ করার কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্রেনটি ছেড়ে যায়।

স্টেশনের ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে যাত্রীদের জন্য অপেক্ষা করছিল সিলেটগামী আন্তনগর ট্রেন জয়ন্তিকা। শিডিউল অনুযায়ী ঠিক বেলা সোয়া ১১টায় ট্রেনটি স্টেশন ছাড়ে।

কমলাপুর রেলস্টেশনে সিকিউরিটি অপারেটরের দায়িত্ব পালন করছিলেন মো. আক্তার হোসেন। তিনি বলেন, এবার যাত্রীদের যেতে কোনো ভোগান্তি নেই। সবাই স্বস্তির সঙ্গে ট্রেনযাত্রা করতে পারছেন।

default-image

জামালপুরগামী অগ্নিবীণা ট্রেনের কাছে অপেক্ষা করছিলেন যাত্রী মোহাম্মদ জুয়েল। তিনি বলেন, রাস্তায় যানজটের ভয়ে অনেকটা আগেই বাসা থেকে বের হন তিনি। রাস্তায় তেমন যানজট পাননি। আধা ঘণ্টা আগে স্টেশনে এসে পৌঁছেছেন।
অগ্নিবীণা ট্রেনটিও ঠিক সময়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে যায়।

অগ্নিবীণা, জয়ন্তিকা ছাড়া আরও কয়েকটি ট্রেন পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, বগির ভেতরে দাঁড়িয়ে থাকা কোনো যাত্রী নেই। সবাই সুশৃঙ্খলভাবে যার যার সিটে বসে যাত্রা করেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন