বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সরেজমিন দেখা যায়, রাত ১২টার পরও বাসার সামনে ২০ থেকে ৩০ জন স্থানীয় বাসিন্দা অবস্থান করছিলেন। তবে ভবনে ঢোকার প্রধান ফটক ভেতর থেকে বন্ধ।

default-image

ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তা মো. বিপ্লব বলেন, সাদিয়া ওই ভবনের পঞ্চম তলায় মির্জা আমের আলীর বাসায় তিন থেকে চার বছর ধরে গৃহকর্মীর কাজ করে আসছিল। গৃহকর্তা দাবি করেছেন, সাদিয়া সন্ধ্যার সময় নিজ কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ওড়নায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

এসআই বিপ্লব আরও জানান, গৃহকর্তা মির্জা আমেরসহ তাঁর পরিবারের লোকজন পুলিশকে জানিয়েছেন, সাদিয়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাঁরা তাকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ রাত আটটার পর ঘটনাস্থলে আসে। তারা সাদিয়ার লাশের সুরতহাল প্রস্তুত করছে।

default-image

সাদিয়ার মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করে জান্নাতুল মাওয়া নামের এক নারী প্রথম আলোকে বলেন, ‘সন্ধ্যায় সাদিয়ার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু পুলিশকে অনেক পরে খবর দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে এলেও কীভাবে সাদিয়ার মৃত্যু হয়েছে, এখন পর্যন্ত আমরা জানতে পারিনি। আমাদের কিছুই জানানো হচ্ছে না। বাসার প্রবেশপথে তালা দেওয়া হয়েছে।’

ওই ভবনের সামনে উপস্থিত এক গৃহকর্মী আইরিন আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা গরিব, পেটের তাগিদে পরের বাসায় কাজ করি। কিন্তু অল্প বয়সী একটা মেয়ে কীভাবে মারা গেল, সেটি জানানো হচ্ছে না। এ ঘটনার বিচার চাই।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন