বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ইফতেখার হোসেন প্রথম আলোকে জানান, ঈদ সামনে রেখে বিধিনিষেধ শিথিল করবে সরকার। তারপরও কিছু বিধিনিষেধ থেকে যাবে। অন্যদিকে, ঈদের পর আবার কঠোর বিধিনিষেধ দেবে সরকার। বিধিনিষেধের কারণে যেন এই মাছ-পশুপাখির ক্ষতি না হয়, তাই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মন্ত্রী। এদিক আজ সকালে এ চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।

জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব বরাবর পাঠানো এ–সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে চলমান বিধিনিষেধকালে কাঁটাবন মার্কেটের পশুপাখি ও মাছের দোকানগুলো সংকটে পড়েছে। দোকানগুলোয় বিদ্যমান জীবন্ত শোভাবর্ধক মাছ ও পশুপাখিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য নিয়মিত খাদ্য, পানি ও রোগ প্রতিরোধক টিকা ও ওষুধ সরবরাহ করতে হয়। পাশাপাশি পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করাও আবশ্যক। চলমান বিধিনিষেধের মধ্যে এসব কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হওয়ায় পশুপাখি ও মাছ মারা যাচ্ছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে মাছ ও পশুপাখির জীবন বাঁচাতে কাঁটাবন মার্কেটের সংশ্লিষ্ট দোকানগুলো দিনের নির্দিষ্ট সময় খোলা রাখার ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেছেন, ‘কাঁটাবন মার্কেটে বিদ্যমান বিভিন্ন পোষা প্রাণী ও শোভাবর্ধক মাছের জীবন রক্ষার্থে আমরা চলমান বিধিনিষেধের মধ্যেও দোকানগুলো প্রতিদিন নির্দিষ্ট একটা সময়ের জন্য খোলা রাখার উদ্যোগ নিয়েছি। এতে পশুপাখি ও মাছের খাবার দেওয়া, জীবন রক্ষাকারী টিকা ও ওষুধ দেওয়া, আলো-বাতাস প্রবেশের সুযোগ দেওয়া এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সুযোগ করে দেওয়া সম্ভব হবে। ফলে, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে পশুপাখি বা মাছ মারা যাবে না। এ বিষয়ে আমাদের সর্বোচ্চ সহানুভূতিশীল হওয়া প্রয়োজন।’

গত বছরও লকডাউনের মধ্যে কাঁটাবন মার্কেট সরেজমিনে পরিদর্শন করে মাছ ও পশুপাখির জীবন বাঁচাতে নির্ধারিত সময় দোকান খোলার রাখার উদ্যোগ নিয়েছিল এ মন্ত্রণালয়।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন