দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন ইজিবাইকচালক আবদুল মতিন (৪০), তাঁর স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার (৩৫), তাঁদের দুই মেয়ে আয়শা (৫) ও মাইশা (৯) এবং ইয়াসমিনের ভাগনে রায়হান (২৫)।
বাচ্চু মিয়া জানান, দগ্ধ লোকজনের মধ্যে মতিন ও ইয়াসমিনের শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাঁদের দুই মেয়েরও ৪০ শতাংশের বেশি দগ্ধ হয়েছে। চারজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। রায়হানের শরীরের ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

পুলিশ জানায়, আবদুল মতিন ঘুমানোর আগে প্রতিদিন ইজিবাইকের ব্যাটারি চার্জ দেন। গতকাল রাতেও ব্যাটারি চার্জ দিয়ে ঘুমাতে যান। ভোরে সেখান থেকে হঠাৎ করে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় পাঁচজন দগ্ধ হন। পরে তাঁরা দৌড়ে বাইরে চলে আসেন। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন।

কামরাঙ্গীরচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, একতলা একটি বাসায় ইজিবাইকের ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার সময় বিস্ফোরণ থেকে আগুন লাগে। ইজিবাইক বাইরে রেখে ঘরের ভেতর থেকে সেটি চার্জ দেওয়া হচ্ছিল। ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।