বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অলিউল্লাহ বলেন, আজ মঙ্গলবার সকালে মহাখালী ডিওএইচএস থেকে কিছু ইট কিনে বাবা-ছেলে ভ্যান নিয়ে যাচ্ছিলেন সাততলা বস্তির আদর্শনগরের দিকে। হঠাৎ পেছন থেকে বিআরটিসির একটা দোতলা বাস এসে ভ্যানটিকে পাশ থেকে ধাক্কা দেয়। সঙ্গে সঙ্গে ভ্যান ভেঙে দুজনেই রাস্তায় পড়ে যান। গুরুতর আহত হয় রনি।

দুপুর সোয়া ১২টায় রনিকে ধরাধরি করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অলিউল্লাহর আঘাত সামান্যই। তিনি বলছিলেন, সাততলা বস্তির আদর্শনগরে একটি স্থানীয় মাদ্রাসায় কিছুদিন আগে রনিকে তিনি ভর্তি করেছিলেন। আজই প্রথম ছেলেকে নিয়ে কাজে বেরিয়েছিলেন। আগে জানলে ভুলেও ছেলেকে নিয়ে রাস্তায় বেরোতেন না।

রনিদের বাড়ি পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পাঙ্গাইসা আকন বাড়ি গ্রামে। মা–বাবা ও বড় বোনের সঙ্গে সাততলা বস্তির আদর্শনগরের ভাড়া বাসায় সে থাকত।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, রনির মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে আছে। ময়নাতদন্তের পর মরদেহটি পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন