বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল একটি অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ। এ দেশ সবার। যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ থাকবে। কোনো শক্তি বাংলাদেশকে এ জায়গা থেকে সরাতে পারবে না। সবাই এখানে বাংলাদেশি।

মন্ত্রী সম্মেলনের সফলতা কামনা করেন।
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, বাংলাদেশ ঐক্যের ভিত্তিতে স্বাধীন হয়। এ দেশে সবার সমান অধিকার আছে। স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি যাঁরা আছেন, তাঁরা যদি নিজ নিজ এলাকায় সজাগ থাকেন, তাহলে সাম্প্রদায়িকতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। এ ছাড়া পূজা উদ্‌যাপন পরিষদকে স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ধর্মনিরপেক্ষতাকে বাংলাদেশ ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ শুধু ইতিহাস–সংস্কৃতিই শেয়ার করে না, ধর্মনিরপেক্ষতা, পারস্পরিক সুযোগ-সুবিধাও শেয়ার করে। বাংলাদেশকে ভারত সব সময় সমর্থন করেছে এবং করে যাবে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ভারতের অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি মিলন কান্তি দত্ত বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বের জায়গা দিন দিন আরও দৃঢ় হবে। তবে এখনো দুই দেশের মধ্যে অমীমাংসিত কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। তিনি ভারতীয় হাইকমিশনারের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, তিস্তা নদীর পানির সমস্যা সমাধান করতে পারলে দুই দেশের জনগণই লাভবান হবে। দেশে অসাম্প্রদায়িকতা বজায় রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাদের মাঠে থাকার কথা বলেন মিলন কান্তি দত্ত।

বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নির্মল কুমার চ্যাটার্জির সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক জে এল ভৌমিক, সদস্যসচিব চন্দ্রনাথ পোদ্দারসহ প্রমুখ। পরিষদের এ সম্মেলন আগামীকাল কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে শেষ হবে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন