বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সভাপতির বক্তব্যে সাংসদ রাশেদ খান মেনন বলেন, ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষের অধিকারের জন্য বাংলাদেশের সংবিধানই যথেষ্ট।

আদিবাসী ও সংখ্যালঘুবিষয়ক সংসদীয় ককাসের প্রধান উপদেষ্টা রাশেদ খান মেনন বলেন, আইএলওর সনদ ১০৭ অনুস্বাক্ষর করেও সেটা বাস্তবায়ন করছে না, তাহলে অনুস্বাক্ষর করার দরকার কী ছিল? এই স্ববিরোধিতা বন্ধ হওয়া দরকার।

সাংসদ র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেন, ‘মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান আমরা যার যার ধর্মের বাইরে গিয়ে ভাবতে পারি না—এই বাধাটা ভাঙার ব্যবস্থা করতে হবে। অধ্যাপক মেসবাহ কামাল বলেন, বঙ্গবন্ধুর সময় যে ১০৭ কনভেনশন অনুস্বাক্ষর করা হয়েছে, সেটি এখনো বাস্তবায়ন করা হয়নি। স্বাধীনতার ৫০ বছরে রাষ্ট্র বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব হাসান বলেন, দেশে অর্থনৈতিক উন্নতি হবে কিন্তু উন্নয়নের জন্য ধ্বংস করা যাবে না। বাংলাদেশে যতটুকু পাহাড়ি পরিবেশ অক্ষুণ্ন আছে, সেটা ক্ষুদ্র জাতিসত্তার জন্য রয়েছে।

সভায় ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন ককাসের টেকনোক্র্যাট সদস্য ও বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং। তিনি বলেন, আইএলও কনভেনশন ১০৭–এর আলোকে আইন প্রণয়ন করা এবং পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আইএলও কনভেনশন ১৬৯ অনুসমর্থন করা সরকারের দায়িত্ব। গত জাতীয় সংসদের নির্বাচনী ইশতেহারে সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন ও সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করা হবে। এই কমিশন গঠনে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন করছে কিন্তু ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষ পিছিয়ে আছে। সুতরাং কাউকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়া যাবে না।

সমকালের উপদেষ্টা সম্পাদক আবু সাঈদ পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমিব্যবস্থা সুরাহা হয় না, সমতলের ভূমি কমিশন গঠিত হয় না। এর কারণ দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠের আধিপত্য বিদ্যমান। ফলে ক্ষুদ্র জাতিসত্তার সংখ্যাগরিষ্ঠের আধিত্যের জাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) প্রতিনিধি শংকর পাল, কারিতাসের পরিচালক থিউফিল নকরেক, ইউএন রেসিডেন্ট কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন প্রমুখ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন