default-image

পূর্ব ঘোষণা দিয়ে পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর সবচেয়ে বড় মাদক স্পট হিসেবে পরিচিত বনানীর কড়াইল বস্তিতে অভিযান চালিয়েছে। তবে আড়াই ঘণ্টার এ অভিযানে গাঁজাসহ মাত্র তিনজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে তারা।

গ্রেপ্তার তিনজনকে মাদক কারবারে জড়িত থাকার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আনোয়ার হোসেন, মো. মনির ও মনোয়ারুল ইসলাম। তাঁদের সবার বয়স ২০ বছর বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

অভিযান পরিচালনাকারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) ঢাকা মহানগর উপ–অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মেহেদি হাসান প্রথম আলোকে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শূন্য সহিষ্ণু নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াতে এ অভিযান চালানো হয়। এ জন্য অভিযানের আগে গণমাধ্যমে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এ অভিযানের মধ্য দিয়ে মাদক কারবারিদের জন্য একটি বার্তা দেওয়া হলো। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বস্তিবাসী ও অভিযানের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা প্রথম আলোকে জানান, আজ সকাল ১০টার দিকে ডিএনসির শখানেক সদস্য ও ৫০ পুলিশ সদস্য কড়াইল বস্তিতে প্রবেশ করেন। তাঁরা একে একে কড়াইলের পশ্চিমপাড়া, মোশার বাজার, জামাই বাজার, বউবাজার ওয়াল ভাঙা ও বেলতলায় বস্তির ঘরগুলোতে তল্লাশি চালান। আড়াই ঘণ্টা ধরে চলা অভিযানে কয়েক কেজি গাঁজাসহ ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করেন।

বিজ্ঞাপন

কড়াইলের কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, কড়াইলে ইয়াবা, গাঁজা, হেরোইনসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য বেচাকেনা নতুন নয়। এভাবে ঢাকঢোল পিটিয়ে অভিযান চালিয়ে এসব বন্ধ করা যাবে না। বস্তিতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার রাখতে এবং গোপনে অভিযান চালাতে হবে। আজ দেড় শ সদস্যের আভিযানিক দল বস্তিতে ঢোকার আগেই অনেক মাদক কারবারি সটকে পড়ে। অভিযান শেষে তারা আবার ফিরে এসেছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন