আজ রোববার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে মোহাম্মদপুরের টিক্কাপাড়া এলাকায় শাহনাজ বেগমের বাসায় মেয়র আতিকুল ইসলামের পাঠানো মাংস ও অন্যান্য সামগ্রীর উপহার নিয়ে যান মেয়রের সহকারী একান্ত সচিব ফরিদ উদ্দিন। সেই উপহারে ছিল সাড়ে ৩ কেজি গরুর মাংস, ১টি লাচ্ছা সেমাই ও ২টি লম্বা সেমাইয়ের প্যাকেট, ১ কেজি গুঁড়া দুধ, ১টি নুডলসের প্যাকেট, ২ কেজি করে পোলাওয়ের চাল ও চিনি, ২ লিটার সয়াবিন তেল ও রান্নার বিভিন্ন মসলা। এ ছাড়া ঈদে কিছু কেনাকাটা করতে শাহনাজের হাতে ২ হাজার টাকাও তুলে দেওয়া হয়।

ফরিদ উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, প্রথম আলোতে প্রকাশিত সংবাদটি মেয়র শনিবার রাতেই দেখতে পান। পরে তিনি শাহনাজ বেগমের পরিবারকে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেন। মেয়রের নির্দেশেই তাঁদের সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

সন্ধ্যায় শাহনাজ বেগম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘মেয়র আমার পরিবারকে সহায়তা পাঠিয়েছেন। আমার অনেক ভালো লেগেছে। আমি অনেক খুশি হয়েছি। মেয়রকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আল্লাহ যাতে তাঁকে অনেক ভালো রাখেন। প্রথম আলোকেও ধন্যবাদ।’

শাহনাজ বেগম আরও বলেন, ‘আমার সন্তানেরা পড়াশোনায় ভালো। তাদের পড়াশোনার খরচের জন্য কোথাও যদি সহায়তা পাওয়া যায়, তাতে উপকার হবে।’

শাহনাজ বেগমের বাসা মোহাম্মদপুরের টিক্কাপাড়া এলাকায়। স্বামী শওকত আলী চার বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। তাঁর দুই মেয়ে ও এক ছেলে। তিনজনই উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী। তাঁর একার রোজগারেই সংসার চলে। সন্তানেরা পড়াশোনায় ভালো, তাই কষ্ট হলেও সন্তানদের পড়াশোনা করাচ্ছেন। সম্প্রতি ছেলেটি পড়াশোনার পাশাপাশি একটি দোকানে বিক্রয়কর্মীর কাজ নিয়েছেন। ছেলের উপার্জনের টাকায় অন্তত সন্তানদের পড়াশোনার খরচটা আসবে বলে আশা করছেন তিনি।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন