মণিপুর এলাকা থেকে গরু কিনতে হাটে এসেছেন আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘হাটে তো গরুই নাই৷ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা চাইছেন একটা গরু। যেটার দাম ৮০-৮৫ হাজারের বেশি হওয়ার কথা নয়। ক্রেতা বেশি হওয়ায় অতিরিক্ত দাম চাইছেন বিক্রেতারা।’

হাটের ভেতরে ঢুকে দেখা যায়, গরু বাঁধার জায়গাগুলো ফাঁকা। হাটের লোকজন লাইট, ফ্যান খুলে নিচ্ছেন। ব্যাপারীরা এক পাশে বসে বিশ্রাম নিচ্ছেন। অনেক ব্যাপারীই বিক্রি শেষ হওয়ায় ফিরতি পথ ধরেছেন। যেখানেই দু-চারটা গরু আছে, সেখানেই ক্রেতাদের জটলা।

বেড়িবাঁধ সড়কে একটি গরু নিয়েই দাঁড়িয়ে ছিলেন সেলিম মণ্ডল। কিশোরগঞ্জ থেকে ১৪টি গরু এনেছিলেন। তিনি বলেন, ‘একটা বাদে সব গরু বিক্রি শেষ। এই একটা গরুই আছে। হাটের ভেতরে ছিলাম। বাইরে দাঁড়ালেই বিক্রি হয়ে যাবে, তাই এখানে আসলাম।’ মাঝারি আকৃতির গরুটার দাম ৯০ হাজার টাকা হাঁকছিলেন সেলিম।

সেলিম মণ্ডলকে ঘিরে ধরেছিলেন কয়েকজন ক্রেতা। মিরপুর ১ নম্বর থেকে আসা রায়হান রিফাত বললেন, ‘৮০ হাজার টাকা দাম বললাম। বিক্রি করবে না। অন্য সময় হলে এই গরুর দাম ৭০ হাজারের বেশি হতো না।’

ক্রেতা ও বিক্রেতারা বলছেন, এবার শুরু থেকেই পশুর দাম অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি। তাই অনেকেই শেষ সময়ের অপেক্ষায় ছিলেন। ভেবেছিলেন শেষ সময়ে পশুর দাম কমবে। কিন্তু গাবতলী হাটের চিত্র ভিন্ন। অবিক্রীত পশুর তুলনায় ক্রেতা বেশি হওয়ায় এখন আরও বেশি দাম হাঁকছেন বিক্রেতারা।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন