বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কুমিল্লার মেঘনাগামী তিনটি পরিবহনের টিকিট বিক্রেতার সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তিনজনই বলেছেন, নারায়ণগঞ্জের বন্দরের লাঙ্গলবন্দ ব্রিজের সংস্কারকাজ চলছে। রাস্তার একটি অংশ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে এক ঘণ্টার রাস্তা পার হতে সময় লাগছে আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা। ঢাকায় পর্যাপ্ত বাস আসতে না পারায় সকাল থেকেই যাত্রীদের তীব্র চাপ। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে তাঁদের।

মেঘনাগামী দোয়েল পরিবহনের সুপারভাইজার মো. সোহেল প্রথম আলোকে বলেন, ঈদের আগে এবং ঈদের দিন যাত্রীদের চাপ ছিল। কিন্তু পর্যাপ্ত বাস থাকার কারণে কোনো সমস্যা হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতেও হয়নি।

প্রায় একই কথা বলেছেন মেঘনাগামী রূপান্তর মেঘনা সুপার সার্ভিসের সুপারভাইজার মো. ফয়সাল। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, দীর্ঘ অপেক্ষার পর যেতে না পেরে অনেক যাত্রী টিকিট ফেরত দিয়ে ফিরে গেছেন।

যাত্রীরা বলছেন, অনেকে ছুটি না পেয়ে ঈদের দিন স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন করতে পারেননি। কাউকে আবার জরুরি প্রয়োজনে ঢাকায় ঈদ করতে হয়েছে। তাই ঈদের পরদিন গ্রামে ছুটছেন তাঁরা। অনেকে যাচ্ছেন বেড়াতে।

default-image

তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী আবদুর রহমানের গ্রামের বাড়ি মেঘনার বড়কান্দায়। ঈদের দিন বন্ধুদের সঙ্গে সিলেটে বেড়াতে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। এক বন্ধুর মা অসুস্থ হওয়ায় তাঁরা আর সিলেট যাননি। তাই আজ গ্রামের বাড়ি যেতে চেয়েছিলেন। দুই ঘণ্টার বেশি সময় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলেন তিনি। এই সময়ে একটি বাস এসেছে। কিন্তু অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে তিনি আর উঠতে পারেননি। এখন তিনি টিকিট ফেরত দিয়ে মহাখালীতে বাসায় ফিরে যাচ্ছেন।

মেঘনাগামী যাত্রীদের বাস না থাকলেও বিপরীত চিত্র পাশের নারায়ণগঞ্জগামী বাস কাউন্টারে। সেখানে যাত্রী নেই, তবে অনেক বাস যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করছে। নারায়ণগঞ্জগামী সিটি বন্ধন পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, যাত্রী নেই বললেই চলে। অধিকাংশ বাস অর্ধেকের কম যাত্রী নিয়ে রওনা দিচ্ছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন