বিজ্ঞাপন

খাদিজার ওপর নির্যাতনের পর জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি জানিয়ে যথাযথ প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেছিল চিলড্রেন চ্যারিটি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ (সিসিবি)। কোনো প্রতিকার না পেয়ে ২০১৮ সালের ২২ ডিসেম্বর সংগঠনটির পক্ষ থেকে হাইকোর্টে রিট করা হয়। রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের ৩১ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে চলতি বছরের জুনে। রায় পাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে খাদিজার ওপর নির্যাতনের বিষয়ে শুনানি করে প্রতিকার দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
হাইকোর্টের রায়ের পর এ পর্যন্ত জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অনলাইনে দুটি শুনানি করে। গত ২৭ আগস্ট শুনানিতে খাদিজা বলেছেন, তিনি নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন এবং ঘটনার বিচার চান। পরে চলতি মাসের ৩ তারিখ মানবাধিকার কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্ম সচিব আবু হেনা মোস্তফা জামান।

শিশু গৃহকর্মী খাদিজা নির্যাতনের ঘটনাটি আলোচনায় এসেছিল ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার–এ প্রকাশিত একটি সংবাদের সূত্র ধরে। ২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর প্রকাশিত সংবাদের শিরোনাম ছিল, ‘ডোমেস্টিক হেল্প টর্চার্ড’ । ডেইলি স্টার–এর প্রতিবেদনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক চিকিৎসকের বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল, গরম ইস্তিরি দিয়ে ছ্যাঁকা দেওয়াসহ খাদিজার শরীরে বিভিন্ন নির্যাতনের চিহ্ন ছিল । শিশু খাদিজাও তখন জানিয়েছিল, তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো। মিরপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। প্রতিবেদনটি দেখে সিসিবি খাদিজার মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিকার চেয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নজরে আনে।

২০১৩ সালে পুলিশ যখন খাদিজাকে গৃহকর্তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করে, তখন বিক্ষুব্ধ জনতা বাড়ি ঘিরে রেখেছিল। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ১৮ দিন। তবে তখন পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়, খাদিজাকে কেউ মারধর করেনি।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন