বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুসন্ধানে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুজনের বিরুদ্ধেই মামলা করেন দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা।

তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারি মিজানুর ও বাছিরের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক।

অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে একই বছরের ১৮ মার্চ দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

২০২০ সালের ১৯ আগস্ট মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, বাছির কমিশনের দায়িত্ব পালনকালে অসৎ উদ্দেশ্যে নিজে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার আশায় ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। তিনি মিজানুরকে অবৈধ সুযোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁর কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে নিয়েছেন। তিনি ঘুষের ওই টাকার অবস্থান গোপন করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানি লন্ডারিং আইনে অপরাধ করেছেন।

মামলার শুনানিতে বাদী শেখ ফানাফিল্যা আদালতে বলেছিলেন, সরেজমিন অনুসন্ধানকালে দেখা যায়, মিজানুর ২০১৯ সালের ১৫ জানুয়ারি একটি বাজারের ব্যাগে করে ২৫ লাখ টাকা বাছিরকে দেওয়ার জন্য রমনা পার্কে মিলিত হন। আলোচনা শেষে রমনা পার্ক থেকে মিজানুরের গাড়িতে ওঠেন বাছির। পরে গাড়িটি যখন শাহজানপুরে থামে, তখন মিজানুর ২৫ লাখ টাকা বাছিরের হাতে তুলে দেন। একইভাবে ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রমনা পার্কে মিজানুরের সঙ্গে দেখা করেন বাছির। তারপর মিজানুরের গাড়িতে উঠে শান্তিনগরে আসেন বাছির। তখন মিজানুরের কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা নেন বাছির।

শেখ ফানাফিল্যা আদালতে আরও বলেছিলেন, মিজানুরের কাছে একটি গাড়িও দাবি করেন বাছির। গাড়ি দাবি করার বিষয়টি লিখিতভাবে দুদকের কাছে স্বীকার করেন বাছির। মিজানুর ও বাছির বেআইনিভাবে অন্যের নামে দুটি সিম ব্যবহার করে নিজেদের মধ্যে খুদে বার্তা আদান-প্রদান করতেন। তাঁদের মধ্যে খুদেবার্তা আদান-প্রদানের বিষয়টি ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন (এনটিএমসি) মনিটরিং সেন্টারের ফরেনসিক কল রেকর্ডিংয়ে প্রমাণিত হয়।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন